29 C
Kolkata

৫০ হাজার টাকা দিয়েও ক্লেম পেলেন না যুবক! ক্লেম পেতে আপনি কী করবেন?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : হেলথ ইনসুরেন্স বা স্বাস্থবিমা (Health Insurance)। অনেকেই একটা সময়ের পর এই প্রক্রিয়াটিকে সম্পন্ন করে রাখতে চান। এর একটাই কারণ হল, যদি কেউ অসুস্থতার মধ্যে পড়েন, সেক্ষেত্রে এই স্বাস্থ্য বিমার মাধ্যমেই খরচ সামাল দেওয়া যাবে। কিন্তু এই বিমা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, এক ব্যক্তি নিজের মায়ের জন্য স্বাস্থ্যবিমা করেছিলেন। প্রতিবছর প্রিমিয়াম দিতেন ৫০ হাজার টাকা। আশা ছিল, মায়ের অসুখবিসুখে তাঁর পাশে দাঁড়াবে এই পলিসি। কিন্তু মা অসুস্থ হওয়ার পর থেকে এই বিমা সংস্থা থেকে কোনও সুবিধা পেলেন না ওই ব্যক্তি। ফলে সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। সেই হতাশা থেকে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, স্বাস্থ্য বিমা নিলেই কি পারিবারিক স্বাস্থ্য-সুরক্ষা নিশ্চিত? না আসল লড়াই শুরু হবে বিমা ক্লেম করার সময়?

ওই ব্যক্তি জানিয়েছিন, তিনি নিয়মিত প্রিমিয়াম দিতেন। এর পর মা যখন অসুস্থ হয়েছিলেন, তখন তিনি লখনউয়ের (Lucknow) স্টার হেলথ অ্যান্ড অ্যালায়েড ইনস্যুরেন্স (Star Health and Allied Insurance)-এর অফিসে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে অনেক বেশি সময় বসিয়ে রাখা হয়। এর পর নাকচ করা হয় ক্লেমও। এর পরেই নিজের পোস্টে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। প্রিমিয়াম নেওয়ার সময় এই সংস্থাগুলি অনেক কড়াকড়ি দেখায়, কিন্তু বিমা ক্লেম করার সময় এত আপত্তি কেন? এই বিষয়টি সমাজমাধ্যমে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওই পোস্টের কমেন্টে কেউ বলেছেন, বিমা সংস্থার কাজ হল শুধু টাকা তোলা। কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আমিও অনেক টাকার প্রিমিয়াম দিচ্ছি, ক্লেমের সময় আমার সঙ্গে এমনটা হবে না তো? কেউ আবার এই বিষয়টি সরকারি কর্তৃপক্ষকে ট্যাগ করেছেন। তবে ওই কমেন্টেই জবাব দিয়েছে স্টার হেলথ (Star Health)। তাদের তরফে বলা হয়, কোনও ক্লেমের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় জমা দেওয়া তথ্য ও মেডিক্যাল রেকর্ডের উপর। কেউ যদি কোনও কিছু গোপন করে যান, সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া বাধ্যতামূলক। সংস্থার তরফে আরও বলা হয়, ক্লেম সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে তা জানানোর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। তবে অফিসের আচরণ নিয়ে কিছু বলা হয়নি সংস্থার তরফে।

আরও খবর : শপথের পর প্রথম ভারত সফরে তারেক? কী রয়েছে মোদির চিঠিতে?

কোনও বিমা নেওয়ার সময় কোনও ব্যক্তিকে তাঁর সমস্ত মেডিক্যাল তথ্য জানাতে হয়। এটাও দেখে নিতে হয়, কাগজ পত্রে সেটি উল্লেখ রয়েছে কি না। অনেক সময় বহু মানুষ মুখে এসব বলেন, কিন্তু শেষে সংস্থা কাজকেই গুরুত্ব দেয়। ফলে এই জায়গাটাই হল সব থেকে বেশি সমস্যার জায়গা।

তবে ক্লেম যদি বাতিল হয় তাহলে পলিসি হোল্ডাররা (Policy Holder) বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা নিতে পারেন। কোন ধারা অনুযায়ী কোনও ব্যক্তির ক্লেম বাতিল করা হল, তা লিখিতভাবে জানতে চাওয়া যায়। তাতেও যদি ফল না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে ইন্স্যুরেন্স ওম্বাডসম্যান বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর পথ খোলা আছে। কিন্তু এক্ষেত্রে বিষয়টি মিটতে আরও সময় লাগতে পারে। যা কারোর কাছে মানসিকভাবে ক্লান্তিকর হতে পারে।

তবে শেষ একটাই প্রশ্ন বড় করে উঠছে, তা হল, পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে সাধারণ মানুষ ইনসুরেন্স করে থাকেন। তা করার সময় এটাই ভাবেন, পরিবারের কারোর কোনও বড় অসুখ হলে, সেই সময় এই বিমার মাধ্যমেই আর্থিক খরচ অনেকটা সামলে নেওয়া যাবে। কিন্তু, একব্যক্তি যে বছরের পর বছর টাকা দেওয়ার পরও যে ক্লেম পেলেন না, তা নিয়েই বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

দেখুন অন্য খবর :

Latest News

কীভাবে IPL-এর শেষ চারে উঠতে পারবে KKR? দেখে নিন হার-জিতের জটিল সমীকরণ

ওয়েব ডেস্ক: জমে উঠেছে আইপিএলের (IPL 2026) প্লে-অফের (Play Offs) লড়াই। তবে কলকাতা নাইট রাইডার্সে (Kolkata Knight Riders) ভাগ্য...

More Articles Like This