ওয়েব ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) রেস্তোরাঁগুলোতে চলছে ব্যাপক অভিযান। খাদ্যের গুণমান যথাযথ না হলে লাইসেন্স বাতিলের মতো পদক্ষেপও করা হচ্ছে। বাংলার ছায়া এবার কর্নাটকেও (Karnataka)। বেঙ্গালুরু শহরে অ্যামাজন (Amazon), সুইগি ইনস্টামার্ট (Swiggy Instamart) এবং আরও বেশকিছু খাদ্যদ্রব্যের গুদামে হানা দিয়ে ১.৩৮ কোটি টাকার খাদ্যপণ্য বাজেয়াপ্ত করল ফুড সেফটি দফতর। ওইসব খাদ্যপণ্যের কিছু সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়া, কিছু ভুল লেবেল লাগানো।
সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন করে হানা দিয়ে ৪.০২ লক্ষ টাকার ওষুধও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কর্নাটকের ফুড সেফটি এবং ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দেভানাহাল্লি ও আনেকালের অ্যামাজন, হোসকোটের একটি সুইগি ইনস্টামার্ট এবং বেঙ্গালুরু স্থিত আরও কয়েকটি গুদামে হানা দিয়েছিল।
আরও পড়ুন: আসার কথা প্রধানমন্ত্রীর, সেই ভেন্যুতে ভুয়ো পরিচয়পত্র, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আটক ২
আধিকারিকরা পরীক্ষা করে দেখেন, অনলাইন এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে বিক্রিত খাদ্যদ্রব্যে লেবেলিং, এক্সপায়ারি ডেট, উৎপাদনের তারিখ প্রয়োজনীয় মানদণ্ডের পৌঁছতে পারছে না। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বিহীন ওষুধপত্রের গোডাউনেও হানা দেওয়া হয়েছিল।
অ্যামাজনের দুটি গোডাউন থেকে ৫৬ লক্ষ টাকার খাদ্যপণ্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে দেভানাহাল্লির গোডাউন থেকে বাজেয়াপ্ত হয় ২৪ লক্ষ টাকার পণ্য। ওই গোডাউন থেকেই বাজেয়াপ্ত হয় ২.৪৫ লক্ষ টাকার ওষুধ। আনেকালের অ্যামাজন ফেসিলিটি থেকে মোট ৩২ লক্ষ টাকার খাদ্যপণ্য বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এদিকে হোসটোকের সুইগি ইনস্টামার্টের গুদামে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৪২ লক্ষ টাকার খাদ্য উপকরণ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ডের ধারেকাছে না হওয়ায় ওই গোডাউন বন্ধ করে দিয়েছেন আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ইনস্টামার্টের গোডাউন খতিয়ে দেখা চলছে, এবং প্রায় এক কোটি টাকার খাদ্য উপকরণে সমস্যা আছে বলে তাঁদের অনুমান।
