ওয়েব ডেস্ক : বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের পেশিশক্তি ও শারীরিক সক্ষমতায় পরিবর্তন আসে। বাইরে থেকে সবসময় তা বোঝা সম্ভব নয়। তবে ৩০ সেকেন্ডের একটি সহজ চেয়ার পরীক্ষা (Chair Test) করে শরীরের নিচের অংশের পেশির শক্তি ও ওঠবস করার সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এই টেস্টের নাম ‘স্টেজি চেয়ার টেস্ট’।
পরীক্ষাটি করতে প্রথমে একটি শক্ত চেয়ার দেওয়ালের সঙ্গে ঠেকিয়ে রাখতে হবে, যাতে সেটি নড়ে না যায়। এরপর চেয়ারের মাঝখানে সোজা হয়ে বসে দুই হাত বিপরীত কাঁধের উপর রাখতে হবে। হাতল না ধরে যত দ্রুত সম্ভব সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আবার বসতে হবে। এভাবে ৩০ সেকেন্ডে মোট কতবার ওঠবস করা গেল, সেটিই পরীক্ষার মূল বিষয়।
আরও খবর : কেন গোপালকে ৫৬ পদ? শুধু খাবার নয়, জন্মাষ্টমীর ছাপ্পান্ন ভোগের নেপথ্যে রয়েছে কৃষ্ণের সেই ৭ দিনের লীলা
বয়স অনুযায়ী ওঠবসের সংখ্যা আলাদা হতে পারে। সাধারণভাবে তরুণদের ক্ষেত্রে বেশি সংখ্যক ওঠবস করার সক্ষমতা প্রত্যাশিত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সেই সংখ্যা কমে আসে। তাই নিজের বয়সের তুলনায় পারফরম্যান্স খুব কম হলে পেশিশক্তি ও সামগ্রিক শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। বলে রাখা দরকার, ৬০-৬৪ বছর বয়সে পুরুষদের ক্ষেত্রে ১৪ বা তার বেশি এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ১২ বা তার বেশি স্কোর ভাল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ৬৫ থেকে ৭৫ বছর বয়সে পুরুষদের ক্ষেত্রে ১২ এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ১০ বা তার বেশি স্কোরকে ভাল ধরা হয়।
তবে এই পরীক্ষাকে হৃদ্যন্ত্রের রোগ নির্ণয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা হিসেবে ধরা যাবে না। ওঠবস করার সময় অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, বুকে ব্যথা বা অতিরিক্ত হৃদ্স্পন্দন হলে পরীক্ষা বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে যাঁদের আগে থেকেই হৃদ্যন্ত্র বা অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে নিজে থেকে এমন শারীরিক পরীক্ষা করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
