ভয়ঙ্কর বন্যার মাঝেও মাথা ঠান্ডা, ১৬৪৩ পড়ুয়ার প্রাণ বাঁচালেন প্রধানশিক্ষক

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : বুধবার সকালে ভয়াবহ হড়পা বানে কার্যত তছনছ হয়ে যায় নেপালের (Nepal) একাধিক এলাকা। নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে যায় বাড়িঘর, গাছপালা, সেতু-সহ একাধিক নির্মাণ। সেই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই অসাধারণ উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়ে ১৬৪৩ জন পড়ুয়ার (Students) প্রাণ বাঁচালেন নুওয়াকোট জেলার বাত্তার এলাকার এক স্কুলের প্রধানশিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদি।

ত্রিশ মিটার পর্যন্ত উঁচু জলরাশি ঘণ্টায় প্রায় ৭৫ কিলোমিটার গতিতে ধেয়ে আসছিল বলে জানা গিয়েছে। স্কুলটি ত্রিশুলি নদীর কাছে হওয়ায় বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ে। বন্যার খবর পেয়েই দেরি না করে স্কুলের ঘণ্টা বাজিয়ে দেন প্রধানশিক্ষক। পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দ্রুত উঁচু জায়গায় সরে যেতে নির্দেশ দেন তিনি।

আরও খবর : নেপালে মৃত ৭৩৪, নিখোঁজ আড়াই হাজারের কাছাকাছি

শুধু স্কুলের ভিতরের পড়ুয়াদের সরিয়েই থামেননি রাজেন্দ্র । স্কুলে আসছিল এমন বাসগুলির চালকদেরও ফোন করে ফিরে যেতে বলেন। একটি বাসের চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে সেটিকে সেতু পার হতে দেখে ফের ঘুরে যেতে নির্দেশ দেন তিনি। বাসটি সেতুর অন্য পারে পৌঁছনোর পরই ভেঙে পড়ে সেতুটি। বন্যার প্রবল স্রোতে শেষ পর্যন্ত স্কুলের তিনতলা ভবনটিও সম্পূর্ণ ভেসে যায়। নদীর তীরে থাকা বহু বাড়ি ও দু’টি সেতুও ধ্বংস হয়। এমনকি প্রধানশিক্ষকের নিজের বাড়িও বন্যার গ্রাসে চলে যায়। তবে সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্কুলের ১৬৪৩ জন পড়ুয়ার প্রত্যেকেই প্রাণে বেঁচে যায়।

এই ঘটনায় এক শিক্ষক কর্মীর মৃত্যু হলেও রাজেন্দ্র দাওয়াদির দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা। নেপালে তাঁকে এখন কার্যত ‘নায়ক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৭৩৪-এ পৌঁছেছে বলে জানা যাচ্ছে, নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার মানুষ।

Latest News

দিল্লিতে পাঁচতলা হস্টেল ভেঙে ভয়াবহ বিপর্যয়, মৃত ৩

ওয়েব ডেস্ক : রবিবার দুপুরে দিল্লির (Delhi) সত্যা নিকেতনে আচমকা ভেঙে পড়ল পাঁচতলা একটি ভবন (Building Collapsed)। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের...

More Articles Like This