ওয়েব ডেস্ক : শনিবার ভোরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব ইন্দোনেশিয়া। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৭। কয়েক সেকেন্ডের তীব্র কম্পনে একাধিক এলাকায় বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন জায়গায় ভূমিধসের জেরে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
ফ্লোরেস দ্বীপের মাউমেরে-সহ একাধিক এলাকা থেকে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এসেছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থা জানিয়েছে, মাউমেরেতে এখনও পর্যন্ত ২০টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পূর্ব নুসা তেঙ্গারার নাজেওকেও এলাকায় উদ্ধারকাজে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত এবং ভূমিধসে রাস্তা আটকে যাওয়ায় উদ্ধারকারী দলগুলিকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
আরও খবর : আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন তারেক রহমান, ২০-২৫ অগস্টের মধ্যে সফরের সম্ভাবনা
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। মাটির প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উৎস। এরপর একাধিক শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়। প্রায় ২ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও সমস্যা দেখা দিয়েছে।
শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর সমুদ্রেও তৈরি হয় আতঙ্ক। সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। পরে কয়েকটি এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার ঢেউ রেকর্ড হলেও বড় ঢেউয়ের আশঙ্কা না থাকায় প্রায় তিন ঘণ্টা পর সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। তবে আফটারশক অব্যাহত থাকায় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। উদ্ধারকাজ যত এগোবে, ক্ষয়ক্ষতি ও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
