ওয়েব ডেস্ক : বারুইপুরের (Baruipur Case) নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কালীঘাট তৃণমূলের (TMC) ডাকা মিছিলকে ঘিরে বুধবার উত্তেজনা ছড়াল হাজরায়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই এদিন বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হয়েছিল। কিন্তু মিছিল কিছুটা এগোতেই পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। মিছিল লক্ষ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান এবং ‘মাছ চোর’ গান বাজানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে বচসা, ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল।
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি (BJP) সমর্থকরাই পরিকল্পিতভাবে মিছিলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এছাড়া উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
আরও খবর : নাগরিকত্ব মিললেও নথি পেতে বাধা, কেন্দ্রের জবাব তলব হাইকোর্টের
মূলত, বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিলের অনুমতি চেয়ে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। আদালত শর্তসাপেক্ষে সেই কর্মসূচির অনুমোদন দেয়। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে কর্মসূচি চলাকালীন আকস্মিকভাবে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় কিছু সময়ের জন্য এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এদিকে, একই দিনে বারুইপুর মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ, মঙ্গলবার গভীর রাতে সূর্যপুরে ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণের সময় এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশের দিকে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। এরপর আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালালে গুরুতর আহত হয় সে।আহত অবস্থায় প্রভাসকে উদ্ধার করে বারুইপুর (Baruipur) মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের দাবি, যে নির্জন এলাকায় নাবালিকার উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল, সেই স্থানেই পুনর্নির্মাণ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি মামলায় গ্রেফতার অন্য অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
দেখুন অন্য খবর :
