ওয়েব ডেস্ক : লোকসভায় প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) হিসেবে কোন শিবির স্বীকৃতি পাবে? দলের প্রতীক ও সাংসদদের অবস্থান কী হবে? তা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পথে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। সূত্রের খবর, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী এবং শিবসেনার অভ্যন্তরীণ বিরোধ সংক্রান্ত শুনানি শেষ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন তিনি।
স্পিকারের (Speaker) সচিবালয় সূত্রে খবর, তৃণমূলের (TMC) দুই পক্ষই ইতিমধ্যেই নিজেদের দাবি ও যুক্তি তাঁর সামনে তুলে ধরেছে। একদিকে বিদ্রোহী শিবিরের প্রতিনিধিরা, অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। একইভাবে শিবসেনার দুই পক্ষের বক্তব্যও শুনেছেন স্পিকার। ফলে দুটি মামলারই শুনানি কার্যত সম্পূর্ণ হয়েছে। সূত্রের দাবি, ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনের আগেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই লোকসভায় নতুন আসন বিন্যাস কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে।
আরও খবর : বিনিয়োগ টানতে বড় পরিকল্পনা! শিল্পে গতি আনতে একাধিক উদ্যোগের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের
রাজনৈতিক মহলের নজর এখন বিশেষ করে তৃণমূলের (TMC) মামলার দিকে। কারণ, দলের একাংশ নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পর থেকেই লোকসভায় তাঁদের সাংসদ পদ, দলীয় স্বীকৃতি এবং প্রতীক নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাঁরা প্রকৃত তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব করছেন। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের বক্তব্য, নতুন দলে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্রোহী সাংসদরা তৃণমূলের সদস্যপদ এবং সাংসদ হিসেবে দলের স্বীকৃতি হারিয়েছেন।
এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরেও রাজনৈতিক তাৎপর্য বাড়ছে। প্রতি বছর তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তিপ্রদর্শনের অন্যতম মঞ্চ হিসেবে পরিচিত এই দিন। কিন্তু দলভাঙনের আবহে এ বার কোন শিবির নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে লোকসভার স্পিকারের আসন্ন সিদ্ধান্তের উপর।
দেখুন অন্য খবর :
