নয়াদিল্লি: রাজ্যে আসার আগে বাংলায় পশ্চিমবঙ্গ দিবসের (West Bengal day) মাহাত্ম্য বর্ণনা করে পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এই প্রথম সরকারি উদ্যোগে ঘটা করে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হচ্ছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ তারকেশ্বরে পৌঁছোবেন প্রধানমন্ত্রী।সেখানে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারীকেরা। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে হুগলির এই শহরকে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। রাজ্যে আসার আগে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আজ ২০ জুন, পশ্চিমবঙ্গ দিবস (West Bengal Day)। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যও (Samik Bhattacharya)। তবে শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি এই ঐতিহাসিক দিনটির গুরুত্ব এবং ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে তুলে ধরে তৃণমূল সরকারের তোষণের রাজনীতিকে আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আজ শনিবার দুই দিনের সফরে রাজ্যে আসছেন মোদি। শনিবার দুপুরে তারকেশ্বরে রাজ্য সরকার আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনি।
আরও পড়ুন: স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিস্ফোরক অভিষেক! এ কী বললেন?
এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাজ্যের সমস্ত ভাই ও বোনেদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। তিনি লেখেন, এই দিনটি এমন এক রাজ্যকে উদযাপন করার দিন, যা সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য, ব্যবসা এবং সমাজ সংস্কারের মতো বহুমুখী ও বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে এক নতুন রূপ দিয়েছে। বারবার অগণিত উপায়ে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসেবেই থাকবে। এর পেছনে ছিল ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর অমূল্য অবদান। ২০২৬ সালে, আমরা ড. মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তীও পালন করছি। জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। আমি পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি এবং পশ্চিমবঙ্গবাসীর সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করছি।”
