31.8 C
Kolkata

হকার উচ্ছেদ মামলায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : জুন মাস পর্যন্ত যে সমস্ত হকারদের (Hawker) চূড়ান্ত সময় দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে উচ্ছেদ করা যাবে না। আর কোনও নতুন নোটিস জারি করা য়াবে না। বুধবার এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি হিরণময় ভট্টাচার্য। সঙ্গে বলেছেন, উচ্ছেদের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সশরীরে পরিদর্শন করে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বলে রাখা দরকার, হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল ২৫টি মামলা। বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগা, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ যতগুলি স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের উচ্ছেদের নোটিস নিয়ে মামলা হয়েছে। সেই মামলার শুনানিতে এদিন বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, যে সব জমি রেলের বলে দাবি করা হচ্ছে, তা আদৌ রেলের কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সশরীরে পরিদর্শন করে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

মূলত, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর কোথাও বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হয়েছে, আবার কোথাও হকার উচ্ছেদ (Eviction) করা হচ্ছে। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম হয়ে রয়েছে। এদিকে এই বিষয়টিকে সামনে রেখে এদিন রাস্তায় নেমেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন স্টেশন সংলগ্ন এলাকা ছাড়া আরও বেশ কিছু জায়গায় হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবশ্য এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদেও নেমেছিলেন সাধারণ মানুষ। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, জুন মাস পর্যন্ত নতুন কোনও উচ্ছেদের নোটিস কার্যকর করা যাবে না। সঙ্গে উচ্ছেদের আগে আরও বেশ কিছু বিষয় খতিয়ে দেখার কথাও বলা হয়েছে।

আরও খবর : বিদ্রোহের আবহে তৃণমূলে ব্যাপক রদবদল, কারা কোন দায়িত্বে

এদিন আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, উচ্ছেদ (Eviction) করার মাধ্যমে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ ঠেলা গাড়ি, ঝুপড়ি দোকান করে সংসার চালাচ্ছেন। তাই তাঁদের উপর চাপ বাড়ানো কাজ হতে পারে না সরকারের। কিন্তু বুল ডোজার পাঠিয়ে ভেঙে সব শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। উচ্ছেদের আগে বিকল্প ব্যবস্থা করার আবেদন জানান তিনি।

এদিন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, রেলের জায়গা, প্ল্যাটফর্ম যদি দখল করে দোকান বসে তুলবে না? লাইসেন্স আছে এমন কাউকে তোলা হয়েছে? এর জবাবে বিকাশরঞ্জন বলেন, বহু ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার অভিযোগ করছেন বলে প্ল্যাটফর্ম ও রেলের রাস্তা থেকে উচ্ছেদ হচ্ছে। এর সঙ্গে বারুইপুরের দোকানের লাইসেন্সের বিষয় উঠে এসেছিল। এ নিয়ে বিচারপতি বলেন, ৪০টি পরিবারের মধ্যে মাত্র দুজনের লাইসেন্স রয়েছে। তবে এ বিষয়ে রেল সিদ্ধান্ত নেবে। আর স্টেশন থেকে প্রায় ১ কিমি দূরে ডানকুনিতে উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ১৮৮১ সালে তাঁদের ওই জমি কিনে নেওয়ার ন্যূনতম দাম জমা দেওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তা আজ পর্যন্ত কেউ জমা দেয়নি। এদিন বিচারপতি জানিয়েছেন, রেলকে আগে নিজের জায়গা চিহ্নিত করতে হবে। সেই জায়গাগুলিকে ফিজিক্যালি খতিয়ে দেখতে হবে।

দেখুন অন্য খবর :

Latest News

অভিষেককে ডাকলেন লোকসভার স্পিকার, কবে দিল্লি যাচ্ছেন?

ওয়েব ডেস্ক : ছাব্বিশের নির্বাচনে পালা বদল হয়েছে রাজ্যে। তার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) ব্যাপক ভাঙন ধরেছে। দল...

More Articles Like This