কলকাতা: কালীঘাটে তৃণমূলের কার্যালয়ে পৌঁছে গেল সিআইডির দল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ির সামনে মঙ্গলবার বিকেলে পৌঁছয় সিআইডির (CID) একটি বিশেষ দল। দলের সঙ্গে ছিল পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী। একই সময়ে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসেও সিআইডি আরও একটি দল গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, ‘সই জাল’ কাণ্ডের তদন্তে এই তল্লাশি। গোটা এলাকা কার্যত ঘিরে ফেলা হয়েছে। ক্যামেরাও এসেছে পুলিশের তরফে। পুরো ঘটনাই ক্যামেরাবন্দি করা হচ্ছে। চলছে ভিডিয়োগ্রাফি।
মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডি-র একটা বড় দল কালীঘাটে তৃণমূলের কার্যালয়ে পৌঁছোয়। কালীঘাটের ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে থাকা তৃণমূল কার্যালয়েও আধিকারিকরা যান।মহিলা পুলিশকেও নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে সিআইডি-র দলকে অফিসের বাইরে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হলেও। তারপরে বেরিয়ে আসেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা দলের কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তী। সিআইডি-র দলের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি।তবে সেখানে গিয়ে তাঁরা জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে দিল্লিতে।তাঁদের অনুপস্থিতিতে তিনি কার্যালয় দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন। যে হেতু মমতা, অভিষেক কলকাতায় নেই, তাই তিনি কার্যালয়ে সিআইডি-কে ঢুকতে দিতে পারবেন না।
আরও পড়ুন:‘কেষ্ট না থাকলে শতাব্দী জিততে পারতেন না’ বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সিআইডি-র দল শুভাশিসকে জানায়, তারা তল্লাশি করতে এসেছে। সেখানেকে উপস্থিত আছেন, তার সঙ্গে তদন্তের কোনও সম্পর্ক নেই। সিআইডি-র দল অভিষেককে পাঠানো নোটিস সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল। সেই নোটিস শুভাশিসকে দেখায় তারা। জানায়, তল্লাশি করার অনুমতি দিতে। কিন্তু শুভাশিস জানান, তিনি কোনও ভাবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি দিতে পারেন না। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁরা নেই, তাঁদের কার্যালয়ে আমি কী ভাবে ঢোকার অনুমতি দেব?’’CID আধিকারিকরা জানান, তাঁরা সই কাণ্ডে একটি নোটিস দিয়েছিলেন। তার জবাবি চিঠিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তৃণমূলের মূল কার্যালয়ে বিধায়কদের সই সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই বয়ানের ভিত্তিতে কালীঘাটে তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে তল্লাশি চালাতে চান আধিকারিকরা। প্রায় এক ঘণ্টার টানাপোড়েন শেষে ভিতরে ঢোকে সিআইডি টিম।
