41.2 C
Kolkata

রাজ্যসভা ও দল থেকে পদত্যাগ করলেন সুখেন্দু শেখর রায়

Must Read

কলকাতা: বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের সুখেন্দু শেখর রায় (Sukhendu Sekhar Roy)। সোমবার সকালেই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিলেন তিনি। দল থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানালেন তিনি।পদত্যাগের পরেই দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক এই প্রবীণ নেতা। সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, “তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। দল থেকেও পদত্যাগ করেছি।” এরপরই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই দলে কোণঠাসা। সঠিক সময়ের অপেক্ষা করছিলাম।’

সোমবার সকালে উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগ পত্র জমা দেন সুখেন্দুশেখর রায়। তার পরেই সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। প্রাক্তন সাংসদের মতে, ১৫ বছর আগে শাসন ক্ষমতায় আসার সময় থেকেই দলে দুর্নীতি শুরু হয়েছে। সুখেন্দুশেখরের কথায়, ‘সিপিএমকে সরকার থেকে সরানোই এদের লক্ষ্য ছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও আদর্শ ছিল না। তবে একটা কর্মসূচি ছিল।’তাঁর দাবি, লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলের ভিতরে কোনও কারণ অনুসন্ধান করা হয়নি। সুখেন্দু শেখরের কথায়, “মানুষ একটা দলের উপর অনাস্থা দেখিয়েছেন। মানুষের সঙ্গে এই দলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।” যত দিন গিয়েছে, দেখা গিয়েছে দলের দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক চেহারা নিয়েছে।” সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, “যখনই প্রশাসক মানুষের ভাষা বুঝতে অক্ষম হয়, তখনই তার পতন অনিবার্য।এদিন তিনি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, “তৃণমূলের সব জাতীয় নেতাদের সম্পত্তি খতিয়ে দেখা উচিত। সবকিছুর অডিট হওয়া দরকার।

আরও পড়ুন: রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা তৃণমূলের সুখেন্দু শেখর রায়ের

আরজি কর-এর ঘটনার সময়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। তখন থেকে দলে একঘরে তিনি বলে অভিযোগ করেছেন এই নেতা। রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই সুখেন্দুশেখর তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। রজি করের ঘটনার সময় তিনি মুখ খুলেছিলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তবে তার পরেও দলের সঙ্গে থেকেছেন।মমতার কাছে ইস্তফার চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে সর্বত্র বেলাগাম দুর্নীতির কথা উল্লেখ করেছেন তিনি পদত্যাগপত্রে। দিল্লি থেকে জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজনীতি থেকেও তিনি অবসর নিতে পারেন।

Latest News

যাত্রীচাপ সামলাতে কলকাতার ১৪ রুটে বাড়ছে সরকারি বাস

কলকাতা: রাজ্যে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি বাস পরিষেবা (Free Bus Ticket Service for women) চালুর পর কলকাতা (Kolkata) ও...

More Articles Like This