26.1 C
Kolkata

বর্ডার এলাকায় বাড়ছে অনুপ্রবেশকারীদের ভিড়! হাকিমপুর চেকপোস্ট, স্বরূপনগরের অবস্থা কেমন?

Must Read

উত্তর ২৪ পরগনা: বসিরহাট (Basirhat) মহকুমার সীমান্তবর্তী এলাকায় ফের বাড়ছে অনুপ্রবেশকারীদের (Infiltrate) ভিড়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাটের বিথারী-হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হাকিমপুর চেকপোস্টে (Hakimpur Check Post) বর্তমানে ১৫২ জন বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিক দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। একইসঙ্গে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগর-সহ তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে মোট ২৭৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে।

প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দাবি, এঁদের অধিকাংশই বিভিন্ন সময়ে দালালদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত হন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের মধ্যে অনেকেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন: শেখ শাহজাহানের ডান হাতের বাড়িতে এসটিএফ হানা! কোন তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযান? দেখুন বড় খবর

বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিস স্ক্যান এবং অন্যান্য নথিপত্র সংগ্রহ করে কম্পিউটার সিস্টেমে আপলোড করা হচ্ছে। এই কাজে প্রশাসনের পাশাপাশি বিএসএফ-এর আধিকারিকরাও যুক্ত রয়েছেন। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে না। সমস্ত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পরই প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে থাকা মহিলা, পুরুষ ও শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরিষেবা, খাদ্য এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, দেশে ফেরার আগে তাঁদের কোনওরকম অসুবিধার মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে। এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটি থানা এলাকায় একটি করে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুপ্রবেশ রুখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি হাকিমপুর চেকপোস্টে নতুন করে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই এবং নথিপত্র পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে গোটা প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

দেখুন আরও খবর:

Latest News

ফিরহাদের ইস্তফার পর মেয়র কে? রবিবার বৈঠক ডাকলেন মমতা

কলকাতা: কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) ইস্তফার পর পুর প্রশাসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে...

More Articles Like This