বীরভূম: টিউশন পড়ানোর সময় চূড়ান্ত অসভ্যতা। ছাত্রীকেই শ্লীলতাহানির (Molest) গৃহশিক্ষকের (Tuition Teacher)। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজের এক অধ্যাপককে গ্রেফতার করল সিউড়ি (Suri) থানার পুলিশ। রবিবার ধৃতকে সিউড়ি আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল? চলুন বিস্তারে জেনে নেওয়া যাক।
জানা গিয়েছে, গত ২০মে ওই শিক্ষকের কাছে টিউশন পড়তে যায় ছাত্রী। অভিযোগ, তখন ওই শিক্ষক ছাত্রীকে প্রথমে কুপ্রস্তাব দেয়, তাতে রাজি না হলে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বাপ্পা সাঙ্গুই নামে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ ধৃতকে সিউড়ি আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
আরও পড়ুন: বীরভূমে পাথর ব্যবসায় ‘১২ হাজার কোটি টাকার লুঠ’, দাবি বিজেপি বিধায়কের
অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী নির্মল মন্ডল বলেন, ‘ওই ছাত্রী শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা আদায় করার উদ্দেশ্য নিয়ে নিজের বাবার সঙ্গে কথা বলে মিথ্যা কেস দিয়েছে। আমি অধ্যাপককে বলেছিলাম আমি আপনার আগাম জামিন করাব। কিন্তু উনি বলেছিলেন আমি কোন দোষ করিনি উনি বর্ধমান থেকে সোজা সিউড়ি থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছে ।’
একই দাবি ওইদিন টিউশনে পড়তে যাওয়া ছাত্র সৌম্যদ্বীপ গোস্বামীর। তিনি বলেন, ‘কুড়ি তারিখ আমি নিজেও পড়তে গিয়েছিলাম। কিন্তু ছাত্রীটি যে অভিযোগ করেছে তার কোনওটাই সেদিন ঘটেনি। উল্টে সেদিন ছাত্রীটি অবান্তর প্রশ্ন করছিল শিক্ষককে। সেদিন ছাত্রীটি স্যারকে প্রথমে নিজেদের দারিদ্রতার কথা শোনায় এবং পরে মেয়েটি স্যার জিজ্ঞাসা করে তার বিয়ে হয়েছে কিনা। এই প্রশ্নের জন্য স্যার তাকে বকাঝকা করে। এবং পরে বলে তাঁর স্ত্রী এবং সন্তান রয়েছে। তখনই মেয়েটি রেগে ওই ছাত্রের সঙ্গে টিউশন থেকে বেরিয়ে যায়।’
দেখুন আরও খবর:
