17.7 C
New York

আগামী ৯ মে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ঘিরে সেজে উঠেছে ব্রিগেড, জোর প্রস্তুতি

Must Read

ওয়েবডেস্ক- দুশোর বেশি সিট নিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার (Bjp Government)। ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটিয়ে বাংলার মসনদে বিজেপি। এবার বাংলাকে নয়া মুখ্যমন্ত্রী উপহার দেবে মোদি সরকার (Modi Government) । ব্রিগেডে (Brigade) শপথ নতুন মুখ্যমন্ত্রীর! সেজে উঠেছে ব্রিডেড। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হবে। তার চলেছে জোর প্রস্তুতি। রাজ্যে সরকার গঠনের প্রস্তুতি এখন কার্যত চূড়ান্ত পর্যায়ে।

আগামী ৮ মে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। তার পরের দিন, অর্থাৎ ৯ মে (9 May)  পঁচিশে বৈশাখে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। সেই প্রস্তুতি নিয়েই বুধবার নবান্নে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার সঙ্গে বৈঠক করতে গেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

দলীয় সূত্রের দাবি, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যদিও মুখ্যমন্ত্রী পদে কে শপথ নেবেন, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি বিজেপি। তবে শুক্রবারের বিধায়ক বৈঠকের পর পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের সম্ভাবনা প্রবল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যা খবর, নির্বাচিত পরিষদীয় দলনেতাই মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

বুধবার দুপুরে নবান্নে ঢোকার আগে শমীক ভট্টাচার্য ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া বার্তা দেন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিজেপিতে তৃণমূলীকরণ চলবে না।’’ তিনি স্পষ্ট জানান, এই বিষয় নিয়েও প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে।

শমীক আরও বলেন, ‘‘বিজেপির পতাকা নিয়ে কেউ যদি তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে, তার দায় এই মুহূর্তে বিজেপি নেবে না। কারণ, এখনও আমরা ক্ষমতায় আসিনি।’’ তাঁর দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যপাল ও নির্বাচন কমিশনেরই।

বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায়, ‘‘আমি ছ’মাস আগে থেকেই বলে আসছি, তৃণমূল চলে গিয়েছে, তৃণমূল চলে যাবে। আর তৃণমূল চলে যাওয়ার পরে যে ‘ব্রিদিং টাইম’ থাকে, সেখানে রাজ্যপাল এবং নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব নিতে হবে— তৃণমূলকে তৃণমূলের হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব।’’

আরও পড়ুন-  নবান্ন নয়, রাইটার্স থেকেই কি চলবে সরকার?

নবান্ন সূত্রে খবর, ব্রিগেডে সম্ভাব্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা, মঞ্চ নির্মাণ, আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সমন্বয় নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রশাসনের সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে শপথগ্রহণের জন্য বেছে নেওয়ার মধ্যে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে। বামফ্রন্ট ও তৃণমূল— দুই শিবিরই অতীতে ব্রিগেডকে শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করেছে। এ বার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের আবহে সেই ব্রিগেড থেকেই নতুন সরকারের যাত্রা শুরু করতে চাইছে বিজেপি।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক মহলেও প্রস্তুতি তুঙ্গে। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় কোথায় হবে, অন্তর্বর্তী প্রশাসনিক কাঠামো কী ভাবে চলবে এবং নতুন মন্ত্রিসভার কাজকর্ম কোথা থেকে শুরু হবে— তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।

নবান্ন সূত্রের খবর, অন্তত প্রাথমিক পর্যায়ে বিধানসভা ভবনের অ্যানেক্স অংশকে অস্থায়ী সচিবালয় হিসেবে ব্যবহার করার ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রশাসনিক সদর দফতর ফের মহাকরণে স্থানান্তরের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Latest News

কালীঘাটে মমতার শক্তি-পরীক্ষা! ৬৯ বিধায়ক নিয়ে বৈঠক করলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: নির্বাচন পরবর্তী টানাপোড়েনের আবহে ফের কালীঘাটে (Kalighat) বৈঠকে বসলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সূত্রের খবর, ৬৯...

More Articles Like This