17.6 C
New York

মমতা-অভিষেকের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে, কী জানালেন নগরপাল?

Must Read

ওয়েবডেস্ক-  সদ্য শেষ হয়েছে ভোটপর্ব (Vote) । রাজ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন দিক থেকে হিংসার ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে লালবাজার (LalBazar)  থেকে রাজ্যবাসীকে আশ্বস্থ করার পাশাপাশি কড়াবার্তা দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ (Kolkata Police Commissioner Ajay Nanda) 

সেই সঙ্গে তাঁর মুখে উঠে এল বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Outgoing Chief Minister Mamata Banerjee) সহ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নিরাপত্তার প্রসঙ্গও। সিপি জানান, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমানো হয়েছে। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, সিকিয়োরিটি ডায়রেক্টরেট বাকিটা ঠিক করবে।

কালীঘাটের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে ‘শান্তিনিকেতন’ এর থেকে পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল। ক্যাম্যাক স্ট্রিট, হরিশ চ্যাটার্জি রোড থেকে সমস্ত নিরাপত্তা বলয় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে লালবাজারের তরফে।

একজন সাংসদ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে নিরাপত্তা পান, তিনি সেই নিরাপত্তাই পাবেন, এর থেকে বেশি আর কোনও অতিরিক্তি নিরাপত্তা পাবেন না। অর্থাৎ সরকারে থাকাকালীন যে নিরাপত্তা বলয় মোড়া থাকত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের বাড়ি ও তার ক্যমাক স্ট্রিটের অফিস চত্বর সেখান থেকে সমস্ত নিরাপত্তা সরানো হল লালবাজারের নির্দেশে।

সেই সঙ্গে রাজ্যের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কলকাতা পুলিশ কমিশনার (সিপি) অজয় নন্দ (Kolkata Police Commissioner (CP) Ajay Nanda) । স্পষ্টভাবে তিনি উল্লেখ করেছেন, গুজবে কান দেবেন না, জেসিবি নিয়ে মিছিল করা যাবে না।
যে সমস্ত জেসিবি-র মালিক এগুলি ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিভাগীয় স্তরে পদক্ষেপ করা হবে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার বলেন, ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ভয়ের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা হলে পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন-  লালবাজারে সাংবাদিক বৈঠকে সিপি, দেখুন সরাসরি

কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ বলেন, হিংসা বা ভয়ের বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা করা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে পুলিশ। বিজয়মিছিল নিয়ে তাঁর কড়া বার্তা। অনুমতি নিয়ে বিজয়মিছিল করতে হবে। সেইসঙ্গে রাজ্যবাসীকে আশ্বাস দিয়ে যেকোনও সমস্যায় পুলিশকে ফোন করার পরামর্শ দেন কমিশনার। তিনি জানান এখন ৬৫ কোম্পানি বাহিনী আছে। ভোট নিয়ে তিনি বলেন, এবছর শান্তিপূর্ণ অবাধ ভোট হয়েছে, শান্তি বজায় রাখতে হবে। কেউ গুজবে কান দেবেন না।”

রাজ্যবাসীকে আশ্বস্থ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে এক আধিকারিক বলেন, সুরক্ষার জন্য যা যা করার করা হবে। আমরা সতর্ক আছি। কোন নাগরিক যেন ভয় না পান। কোথাও  কোনও ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী দাঁড়িয়ে আছেন এমন নয়। আমরা সতর্ক রয়েছি। আমাদের যা করণীয় সেটা করছি।

Latest News

ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কী পদক্ষেপ কমিশনের? বড় নির্দেশ দিলেন জ্ঞানেশ কুমার

কলকাতা: ভোট পরবর্তী অশান্তি ও হিংসা (Post Poll Violence) রুখতে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মুখ্য নির্বাচন...

More Articles Like This