নদিয়া: বিজেপির (BJP) ব্যাপক জয়ে ফের এক পালাবদল সাক্ষী হল বাংলা। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য কর্মীদের উদ্দেশ্যে ভিডিও বার্তা দিয়ে বলেন যে, ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) একেবারেই নয়। তা সত্ত্বেও বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা উঠে এসেছে। জেলায় জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। তবে নদিয়ায় (Nadia) দেখা গেল উল্টো ছবি। ভোটের ফল বেরোতেই নদিয়ার শান্তিপুরে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে।
বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) ফল ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল নদিয়ার শান্তিপুর। ভোটের ফল ঘোষণার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শান্তিপুর গোবিন্দপুর ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় দুই বিজেপি কর্মীকে তাঁদের দোকানে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিজেপি বিপুল ব্যবধানে জয়ী হওয়া সত্ত্বেও কর্মীদের কেন আক্রান্ত হতে হচ্ছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: দখল নয়, তৃণমূলকে পার্টি অফিস ফিরিয়ে দিল বিজেপি!
জানা গিয়েছে, আক্রান্ত প্রকাশ সেন এবং তাঁর ভাই শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নিজেদের বাড়ি সংলগ্ন একটি কাপড়ের দোকানে প্রতিদিনের মতোই কাজ করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় হঠাৎ করেই ১০-১৫ জনের একটি দল নিয়ে তাঁদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়, যাদের মধ্যে একজন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও ছিল বলে অভিযোগ। প্রকাশ্য দিবালোকে দোকানের মধ্যেই তাঁদের মারধর করা হয় বলে দাবি আক্রান্তদের।
আক্রান্ত দুই বিজেপি কর্মী জানান, তাঁরা আগে তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। কিন্তু গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় শাসকদলের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে তাঁরা বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং গেরুয়া শিবিরের হয়ে কাজ করাই তাদের উপর হামলার প্রধান কারণ। এলাকায় বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি মেনে নিতে না পেরেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল বেরোনোর পর প্রতিশোধ নিতেই তৃণমূল এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা।
দেখুন আরও খবর:
