10.7 C
New York

স্মরণে ‘কালজয়ী’ সত্যজিৎ! অস্কারজয়ী শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কী লিখলেন মমতা?

Must Read

কলকাতা: ১৯২১ সালের ২ মে জন্মেছিলেন এমন এক শিল্পী, যাঁর হাত ধরেই বাংলা সিনেমা নতুন প্রাণ পেয়েছিল। তিনি সত্যজিৎ রায় (Satyajit Ray), শুধু একজন চলচ্চিত্রকার (Film Director) নন, এক সম্পূর্ণ সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান। আর তাই অনেকের মতে, ১৯৫৫ সালের ২৬ অগাস্ট বাংলা সিনেমার নবজন্মের দিন হলে, সেই নবজন্মের কারিগরের জন্মদিন আজকের এই দিনটিই।

এই মহান শিল্পীর জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে ভোলেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যের রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও শনিবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্রকার, প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও বাঙালির গর্ব সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকীতে জানাই আমার শ্রদ্ধা। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি শুধু বাংলা নয়, বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসেও এক অমূল্য সম্পদ।”

আরও পড়ুন: পরিযায়ী ভোট কোথায় পড়ল? অঙ্ক কি খুব কঠিন?

উল্লেখ্য, বাংলা তথা বিশ্ব সিনেমার ইতিহাসে সত্যজিৎ রায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর চিত্রভাবনা, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমাজচেতনা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। দলীয় রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে তিনি যে স্পষ্ট ও সংবেদনশীল রাজনৈতিক উচ্চারণ করেছেন, তা আজকের সময়েও বিরল। জীবনের নানা স্তরকে তিনি যে গভীরতায় ও সংযমে তুলে ধরেছেন, তা অনুকরণীয় হলেও প্রায় অধরা।

তবে সত্যজিৎ রায়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল ক্যামেরার সামনে নয়, বরং কাগজ-কলম আর নকশার জগতে। ১৯৪৩ সালে বিজ্ঞাপন সংস্থা ডি জে কেইমারে কাজ শুরু করে তিনি অক্ষর ও ছবির মেলবন্ধনে নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান। পরে ‘সিগনেট প্রেস’-এ প্রচ্ছদশিল্পী হিসেবে কাজ করার সময় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আম আঁটির ভেঁপু’ তাঁর হাতে এসে পৌঁছয়। সেখান থেকেই জন্ম নেয় এক চলচ্চিত্রকারের স্বপ্ন।

শুধু সিনেমা পরিচালনাই নয়, পোস্টার ডিজাইন, ক্যালিগ্রাফি থেকে শুরু করে টাইপফেস নির্মাণ—সব ক্ষেত্রেই ছিল তাঁর অনন্য দক্ষতা। তাঁর তৈরি ইংরেজি ফন্ট ‘রে রোমান’ এবং ‘বিজার’ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে, যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভারই প্রমাণ।

দেখুন আরও খবর:

Latest News

গণনার পরেও ফলতায় রিপোল হতে পারে! সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন

কলকাতা: ভোট মিটতেই আজ, শনিবার নতুন করে উত্তপ্ত ফলতার হাসিমনগর। পুনর্নির্বাচনের (Re Election) দাবিতে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল ফলতায়...

More Articles Like This