কলকাতা: আগামী ২৯ এপ্রিল সাত জেলায় দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ। ভোটের কাজ করার কর্মী সঙ্কট দেখা দিয়েছে, এমনটাই নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রের খবর। ঘাটতি মেটাতে নতুন নির্দেশিকা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সমস্যা মেটাতে প্রথম দফায় কাজ করা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের (Central Government Employees) নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হল।এমনই ১৭ হাজারের বেশি কর্মীকে দ্বিতীয় দফার ভোটে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছে কমিশন।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতেই সবচেয়ে বেশি কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে।
বুধবার রাজ্যের দক্ষিণের জেলাগুলি সহ কলকাতা-হাওড়া, হুগলিতে রয়েছে দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় নির্বাচন। ভোটের শেষ দফায় ভোটকর্মী সঙ্কটে কমিশন।জানানো হয়েছে, প্রথম দফার ভোটে যে সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার (PSU) কর্মীরা ডিউটি করেছিলেন, তাঁদেরই পুনরায় দ্বিতীয় দফার জেলাগুলিতে মোতায়েন করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। এই পর্যায়ের জেলাগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ভোটকর্মী (Polling Personnel) নেই বলে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসাররা (DEO) রিপোর্ট পাঠিয়েছেন।কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের আবার দ্বিতীয় দফায় নিয়োগ করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাঁদের নিয়োগপত্র দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘বাংলায় গুন্ডারাজ’, আসানসোলের ঘটনায় তোপ রাহুলের
কমিশন জানিয়েছে, মোট ১৭ হাজার ২৭৬ জন কেন্দ্রীয় কর্মচারী, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটে কাজ করেছেন, তাঁদের অবিলম্বে জেলাভিত্তিক নিয়োগ করতে হবে দ্বিতীয় দফার ভোটে। প্রিসাইডিং অফিসার-সহ মোট চার ক্ষেত্রে ভোটকর্মীদের নিয়োগ করা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতেই নিয়োগ করা হচ্ছে ৬ হাজার ৬২০ জন।উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মোট ৫ হাজার ৬৮০ জনকে নিয়োগ করা হচ্ছে, যাঁরা প্রত্যেকেই প্রথম দফার ভোটে কাজ করেছেন। নদিয়ায় নিয়োগ করা হচ্ছে ১,৭৪৫ জনকে। হাওড়ার ডোমজুড়ে ২২১ জনকে নিয়োগ করতে চলেছে।হাওড়ার অন্যত্র ৫০৩ জনকে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় ১, ১০৯ জন, হুগলিতে ৭১২ জন এবং পূর্ব বর্ধমানে ৬৮৬ জন ভোটকর্মীকে নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
