ওয়েবডেস্ক- ফের চিকুনগুনিয়ার (Chikungunya) আতঙ্ক! উদ্বিগ্ন কেরল সরকার (Kerala Government) । এর্নাকুমাম জেলার কিছু এলাকায় এই সংক্রণের খোঁজ মিলেছে, যা নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এই সংক্রণের মূল কেন্দ্র এর্নাকুলামের কুন্নুকারা ও চেঙ্গামানাদ পঞ্চায়েত এলাকা। এখনও পর্যন্ত ৯টি নিশ্চিত এই কেসের খবর পাওয়া গেছে। ১৯টি সন্দেহজনক সংক্রমণের খবর মিলেছে। কুন্নুকারায় ২৪টির মধ্যে ৬টি নিশ্চিত ও ১৮টি সন্দেহজনক মামলা রয়েছে। চেঙ্গামানাদে ৪ট কেসের মধ্যে তিনটি নিশ্চিত ও একটি সন্দেহজনক কেস পাওয়া গেছে।
চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ কী-
হঠাৎ জ্বর, সন্ধিস্থলে তীব্র ব্যথা (কনুই, হাঁটু, গোড়ালি) পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি ও ত্বকে র্যাশ দেখা যায়। মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া, বমি বমি ভাব।
আরও পড়ুন- রাঘব চাড্ডার ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা কাড়ল পাঞ্জাব সরকার! দলের সঙ্গে নেতার ফাটল কি আরও বাড়ল?
চিকিৎসকদের পরামর্শ-
এই ধরনের কোনও উপসর্গ দেখা দিলে ফেলে রেখে, দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ নিতে নিতে হবে। নিজে থেকে ওষুধের সেবন ঠিক না। ভুলভাবে পেনকিলার খেলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। সঠিক সময় পরীক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজন।
চিকুনগুনিয়া সংক্রামিত ব্যক্তিদের দিনের বেলাতেও মশারির তলায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাতে মশার মাধ্যমে রোগ না ছড়ায়। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান করা, পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন।
সতর্কতা-
বাড়ি ও আশেপাশে কোথাও জল জমলে তা দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। বাড়িতে থাকা ফুলের টব, ট্রে, ফেলে দেওয়া টায়ার, নির্মাণস্থলে জলা জল, এই ধরনের জায়গায় মশা জন্মানোর ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই নিয়মিত এখানে নজরদারি জরুরি। প্রতি সপ্তাহের ড্রাই ডে পালন করে জমা জল পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সরকার রোধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে কেরল সরকার।
কেরলের জনস্বাস্থ্য আইন অনুযায়ী, কোনও বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানে মশার প্রজননস্থল পাওয়া গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করা হতে পারে। এই সংক্রমণ রুখতে
সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই সংক্রমণ রোধে সচেতনতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবে।
