ওয়েবডেস্ক- আর নতুন বছর (Bengali New Year) মানেই নতুন শুরু, নতুন যাত্রা। অনেক আশা, আকাঙ্খা একরাশ স্বপ্ন নিয়ে নতুন বছরের সূচনা। পুরনো বছরের গ্লানি মুছে ফের আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো। নতুন পরিকল্পনা, নতুন উদ্যোগ, নয়া চিন্তাভাবনা। বাঙালির কাছে পয়লা বৈশাখের (Poila Boishakh) গুরুত্ব আলাদা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, ‘বন্ধু হও, শত্রু হও, যেখানে যে কেহ রও, ক্ষমা করো আজিকার মতো, পুরাতন বরষের সাথে, পুরাতন অপরাধ যত।’

এই দিনটিতে গণেশ ও মা লক্ষ্মীর পুজো করা হয় ঘরে ঘরে। মন্দিরে আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য ভিড় হয়। সারা বছর যাতে ভালো কাটে এই আশাতেই মানুষ পুজো দেয়। এদিন সনাতনী সাজ পোশাককেই মানুষ বেশিরভাগ প্রাধান্য নিয়ে থাকে।
নতুন বছরে মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে আশীর্বাদ নিয়ে আরও একটা বছরের পথচলা। জ্যোতিষমতে বা লোকমতে এই দিনটি কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। বছরের শুরুতেই ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন।

এই সময় সকাল সকাল ঘুম থেকে ঘুম উঠে ঘর পরিষ্কার করে বাড়িত ধুপ ধুনো দিলে মন ভালো থাকে। দিনের শুরু সুন্দর হয়। নতুন জামা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জামা পরলে মনে প্রশান্তি আসে। এদিন নেশাদ্রব্য গ্রহণ, অশুভ আচরণ (Bad Behavior) থেকে বিরত থাকা ভালো।
আরও পড়ুন- শুভ নববর্ষ, আজ থেকেই আর্থিক উন্নতির সময় শুরু হচ্ছে একাধিক জাতক জাতিকাদের
সেই সঙ্গে অশুভ আচরণ, অভদ্র আচরণ অভদ্র আচরণ এড়িয়ে চলায় ভালো। এদিন কারুর বিষয়ে কুচিন্তা, নেতিবাচক আলোচনা করা থেকে বিরত থাকা উচিত। মনে করা হয়, নববর্ষের দিনটি যেভাবে শুরু হবে, সারা বছর সেভাবেই কাটবে।

এদিন ঝগড়া-অশান্তি থেকে দূরে থাকা উচিত। বছরের প্রথম দিনে টাকা ধার নেওয়া বা দেওয়া অশুভ হতে পারে। মনে করা হয় আর্থিক সমৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। এদিন হাত থেকে পড়ে কাচ বা থালাবাসন ভেঙে ফেলাকে দুর্ভাগ্যের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
