বর্ধমান: নেই কোন ইঁট-সিমেন্টের ঘর, নেই পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বৃষ্টিতেও সেই ভাঙা আটচালার নিচে চলে বাচ্চাদের পঠন-পাঠন। এই রকম বেহাল দশা বর্ধমান-১ ব্লকের বাঘার-১ পঞ্চায়েতের মাহিনগর বাগদীপাড়ার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের। অভিযোগ, ফাঁকা জায়গায় চলছে রান্না ও পড়াশোনা, নেই কোন স্থায়ী সেন্টার। ওই স্কুলে বাচ্চাদের পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। সব কিছু জেনেও উদাসীন প্রশাসন।
হাল স্কুলের দশায় পড়তে পাঠাতে অনিহা অভিভাবকদেরও। স্কুলের বেহাল দশার কথা মেনে নিয়েছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা থেকে পরিচারিকাও। ছোট ছোট শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এই সব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এখানে হচ্ছে উল্টোটাই। একেবারে পরিকাঠামো ছাড়াই চলছে মাহিনগর বাগদীপাড়ার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি। স্কুলের চারপাশে গজিয়েছে উঠেছে গাছপালা। চারিদিকে নেই কোনও বাউন্ডারির ব্যবস্থাও। পড়ুয়াদের পঠন-পাঠনের কোনও সঠিক পরিকাঠামোও নেই। রোদ বৃষ্টির মধ্যেই খোলা আকাশের নিচে চলছে বাচ্চাদের পঠন-পাঠন। মাথার উপরে নেই ছাদ, নেই পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থাও।
আরও পড়ুন: প্রতিবেশীরা কি ফোনও ভেঙে ফেলল! কোহলিদের জয়ে ঠাট্টায় মাতলেন ইরফান পাঠানের
চারদিক গরু,ছাগল চরছে তার পাশেই খোলা আকাশের নিচে একদিকে চলছে রান্না, আর অন্যদিকে ধূলো বালির মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে শিশুদের পঠন-পাঠন। এমনকি শিশু শিক্ষাকেন্দ্রের শিশুদের রান্নার জন্য বহুদূর থেকে জল আনতে হয়, পাশে থাকা টিউবকল টি দীর্ঘদিন বিকল হয়ে পরে।
স্থানীয় মানুষ ও অবিভাবকদের প্রধান দাবি, শিশুদের পঠন-পাঠনের জন্য মাথা উপর ছাদ হোক,বৃষ্টির জলে ভিজতে না হয় তাদের বাচ্ছাদের। একেবারে খোলা আকাশের নিচে বন্ধ হোক রান্না, আটচালায় বন্ধ হোক পঠন-পাঠন। তাঁদের প্রশ্ন কীভাবে এই পরিবেশে বাচ্চাদের সেন্টারে পাঠাব ? অভিযোগ এরপরেও হুশ নেই প্রশাসনের। স্থানীয় প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিদের জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মানুষের। তাদের দাবী, অতি সত্বর ব্যবস্থা নিক প্রশাসন।