মুর্শিদাবাদ: তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের তেঘরীতে। তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি আইয়ুব হোসেনের অভিযোগ, বাড়ির সামনে দিয়ে তিনি হাঁটছিলেন। সেই সময় চারজন কংগ্রেস কর্মী তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই পাড়ার লোকজন চিৎকার করতে থাকে। তখন ওই চার কংগ্রেস কর্মী সেখান থেকে পালিয়ে যায় বলে জানান আইয়ুব। তাঁকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, তেঘরী গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কংগ্রেস কর্মী নুরফুল শেখের বাবাকে অপহরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কংগ্রেস কর্মীদের মারধর করতে গেলে তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি পড়ে গিয়ে মাথা ফেটে যায় বলে দাবি কংগ্রেসের। এরই জেরে তৃণমূলের সন্ত্রাস এবং পুলিশকে ব্যবহার করার প্রতিবাদে লালগোলা জঙ্গিপুর রাজ্য সড়ক সাইদাপুর তালতলা অবরোধ করে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখায় রঘুনাথগঞ্জ জাতীয় কংগ্রেস। এর জেড়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রাজ্য সড়ক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ এসে অবরোধ তুলে দেয়।
আরও পড়ুন: Panchayat Election 2023 | পরিচালনার কমিটি থেকে বাদ মমতার নির্বাচনী এজেন্ট সুফিয়ান
পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নকে ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ছবি উঠে আসছে। সকাল থেকেই একাধিক এলাকায় মনোনয়ন-সন্ত্রাসের ছবি উঠে আসছে। কোথাও মনোনয়নে বাধা, আবার কোথাও বিরোধীদের উপর চড়াও হয়ে মারধরের অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পুলিশের সামনেই বিরোধীদের মারধর করা হয়। এদিন ভাঙড়ে আইএসএফ কর্মীদের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পুলিশের সামনেই মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবৈজির অভিযোগ ওঠে। এমনকী ৭ রাউন্ড গুলিও চালানো হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তেজিত যে, বেশকিছু এলাকায় ব়্যাফ নামানো হয়েছে। একইসঙ্গে নিরাপত্তা সহ দোষীদের শাস্তির দাবিতে একাধিক জায়গায় বিক্ষোভে সামিল হয়েছে বিরোধী শিবির।