কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ দেখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন, মঙ্গলবার একথা জানালেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এছাড়াও ভাঙড়ের অশান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মনোনয়নের দিন বাড়ানো নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানান তিনি।
পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরের দিনই বিজেপি এবং কংগ্রেস কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে। বিজেপির তরফে শুভেন্দু অধিকারী এবং কংগ্রেসের তরফে অধীর চৌধুরী মামলার আবেদনে বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া পঞ্চায়েত ভোট করা সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত তাদের দাবি ছিল, মনোনয়ন পেশের সময়সীমা আরও বাড়ানো হোক। মঙ্গলবার ওই মামলার রায় ঘোষণা করে আদালত জানায়, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে না। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, প্রয়োজন হলে কমিশন সময়সীমা বাড়াতে পারে। একইসঙ্গে আদালতের নির্দেশ, কোনও হিংসা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করতে হবে। বিগত বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসা, পুরসভার নির্বাচন, হনুমান জয়ন্তী ও হাইকোর্টের বিভিন্ন নির্দেশের কথা মাথায় রেখে কমিশন পুলিশের সঙ্গে আধা সামরিক বাহিনী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কোথায় কোথায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যেতে পারে, তার সিদ্ধান্ত কমিশনকে নিতে হবে।
এদিন ভাঙড়ে অশান্তিতে জখম হন চারজন। তাঁদের আরজিকর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যে একজনের গুলি লেগেছে তাঁর নাম বাহাউদ্দিন মোল্লা (২৬)। তিনি পুলিশকে জানান, বাজার করতে যাওয়ার সময় তাঁর পেটে গুলি লাগে। পাশাপাশি বাকি আরও তিনজন যাঁদের মাথায় আর শরীরে বাঁশের আঘাত রয়েছেছে তাঁরা তৃণমূল সমর্থক বলে জানিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।