কলকাতা: ভোট পরবর্তী হিংসা (Post-poll violence) অব্যাহত রাজ্যের জেলায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে গণনা। সকাল থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও উঠে এসেছে। এদিন ইসলামপুরে (Islampur) ব্লকের কালুবস্তি এলাকায় গুলি চলার অভিযোগ উঠেছে। নির্দলদের লক্ষ্য করে তৃণমূল সমর্থকদের গুলি করার অভিযোগ উঠেছে। হামলার অভিযোগ উঠল জাকির পন্থীর লোকজনের বিরুদ্ধে। হামিদুল রহমানের লোকজনের উপর হামলা, গুলি চালানোর অভিযোগ উঠে। জানা গিয়েছে, ইসলামপুর ব্লকের গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত জাকির পন্থীর লোকজন জয় হয়। জয়ের পর আচমকা হামলা ও গুলি চালায় জাকির পন্থীর লোকজন বলে অভিযোগ। গুলিতে জখম হয়েছেন একজন। ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় চিকিৎসার জন্য। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় ইসলামপুর থানার পুলিশ।
উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা (North 24 Paraganas Habra) ২ নম্বর ব্লকের অশোকনগর বয়েজ স্কুলে গণনা চলছিল। হঠাৎ গণনা কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে ঢুকে যায় আইএসও সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু করে ইট বৃষ্টি। ক্ষণিকের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তারপরেই পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে। আইএসএফের কর্মীদের বিরুদ্ধে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা আইএসএফের অভিযোগ, গণনা কেন্দ্র থেকে তাদের কর্মীদের জোর করে বের করে দিয়েছে তৃণমূল।
আরও পড়ুন: Panchayat Result 2023 | বাঁকুড়ায় পঞ্চায়েত ভোটের ফল কীরকম হলো জেনে নিন
গোয়ালপেখরে পোখরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটের ফল প্রকাশের পর জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঘটনায় জখম হয়েছে দু জন। জানাগেছে, সাহিদ আলম ও আনওয়ার আলম দু জনেই তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে নির্দলে দাড়িয়েছে। সাহিদ জয়ী হয়েছে। এর পরে পাড়ায় বিজয়উল্লাসের সময় সাহিদের খুড়তুতো ভাই আজমত আলি সঙ্গে পরাজিতদের গন্ডগোল বাঁধে। দুষ্কৃতীদের মারে আমজাদ ও তার বাবা জখম হয়েছে। ইসলামপুর হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে।