ধূপগুড়ি: মিতালি রায় (Mitali Ray) যেখানেই দাঁড়াবেন সেখানেই মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দেবেন। ধূপগুড়ির উপনির্বাচনে মিতালী রায়ের নিজের বুথে বিজেপি ১৯৬ ভোটে পিছিয়ে থাকার পর এমনই কড়া ভাষায় তাঁকে কটাক্ষ করে তৃণমূল। গত বিধানসভায় এই ওয়ার্ডেই ৪০ ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। সেখানে মিতালি রায়ের নিজের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডেই ৭৯ ভোটে পিছিয়ে বিজেপি।
বিধানসভা উপনির্বাচনের দু’দিন আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মিতালি রায়। ভোটার ৪৮ ঘণ্টা আগে তাঁর এই আচমকা দলবদল ধূপগুড়ির সমস্ত রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে শুরু করেছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছিলেন মিতালি রায়ের এই যোগদানের ফলে অনেকটাই বেগ পেতে হবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। তবে মিতালি রায় দাবি করে ছিলেন তাঁর এই যোগদানের ফলে কোনও রকমের বেগ পেতে হবে না তৃণমূলকে। এমনকী শাসকদলেও এর কোনও প্রভাব পড়বে না। ভোটের ফল বেরোনোর পর দেখা গেল তেমনটাই হয়েছে।
আরও পড়ুন: বৃদ্ধকে পিটিয়ে খুন বারাসতে
এই নিজের দলের হার নিয়ে সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা মিতালি রায়ের দাবি, তিনি প্রচারের একদম শেষ লগ্নে বিজেপিতে এসেছেন। সুতরাং তৃণমূলের হয়ে তিনি প্রচারের করার যতটা সুযোগ পেয়েছিলেন, বিজেপির হয়ে প্রচার করার তেমন একটা সুযোগ পাননি। এমনকী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্তও তিনি তৃণমূলের হয়েই প্রচার করে গেছেন। তাই তিনি দাবি করেন তার বুথটিতে সংখ্যালঘু ভোটার বেশি, যেটা তৃণমূলে পড়েছে। এরপর তিনি জানান, আগামী দিনে এই বুথ সহ এই ওয়ার্ডে ফলাফল অন্যরকম হবে।
এ বিষয়ে তৃণমূলের টাউন ব্লক যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি শুভ দে সরকার বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি মিতালি রায় যোগদান আমাদের পক্ষে ক্ষতিকারক নয়। বরং মিতালী রায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়াতে দলের উপকার হয়েছে। যেই আসন আমরা ২১শে হেরেছিলাম সেই আসন ২৩ শে জিতে নিলাম।