পাটনা: কপালের সিঁদুর দিলেই বিয়ে হয় না। সপ্তপদী হওয়া বাধ্যতামূলক বলে এমনই জানাল পাটনা হাইকোর্ট। অগ্নি প্রদক্ষিণ করে সপ্তপদী না হলে বিবাহ সম্পন্ন হয় না। জোর করে মাথায় সিঁদুর দিলেই বিয়ে হিন্দু আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানালেন বিচারপতি পি বি বাজানথ্রি ও বিচারপতি অরুন কুমার ঝা-র ডিভিশন বেঞ্চের রায়।
উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত ২০১৩ সালে ৩০ জুন। পেশায় সেনাবাহিনীর সিগন্যালম্যান রবিকান্ত কাকাকে নিয়ে গিয়েছিলেন লক্ষ্মীসরাইয়ের একটি মন্দিরে। মন্দিরের প্রার্থনা সেরে বাড়ি ফেরার সময় আচমকাই কয়েকজন তাঁদের পথ আগলে দাঁড়ায়। কাকা সহ তাঁকে অপরহরণ করে একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে অপহরণকারীরা রবিকে জোর করে এক মহিলার কপালে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য করেছিল।
আরও পড়ুন: ঘরে বিষাক্ত সাপ ছেড়ে স্ত্রী ও মেয়েকে খুন
কিন্তু সেই অভিযোগ পুলিশ নেয়নি। ফৌজদারি আদালত, পারিবারিক আদালতেও তার মামলা খারিজ হয়ে যায়। এরপরেই পাটনা হাইকোর্টে বিয়ে বাতিলের আবেদন করে একটি মামলা করেন সেনাবাহিনীর ওই সিগন্যালম্যান। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের রায়কে খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিয়েতে হাজির পুরোহিতের কাণ্ডজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। মেয়ে পক্ষের তোলা বিয়ের ছবিও অগ্রাহ্য করে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে দুই নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে এমনই জানিয়েছে পাটনা হাইকোর্ট।