প্যান্ডাল হপিং থেকে পুজো প্রেম, কলকাতা টিভি অনলাইনের প্রতিনিধি ঐন্দ্রিলা ঘোষের সঙ্গে খোলামেলা আড্ডায় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার।
ঐন্দ্রিলা: কেমন আছ? সব ঠিক থাক চলছে তো?
মধুমিতা: হ্যাঁ। ভালো আছি
ঐন্দ্রিলা: কলকাতাতে আছো?
মধুমিতা: না, আপাতত কলকাতার বাইরে। বাবা মায়ের সঙ্গে চম্পাহাটিতে
ঐন্দ্রিলা: পুজো তো চলে এলো, কি প্ল্যান এবারে?
মধুমিতা: সেরকম আলাদা করে প্ল্যান নেই এ বছর। বাড়িতেই থাকবো। ওই বাড়িতে বাবা মা এবং বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে কাটাব।
ঐন্দ্রিলা: পুজোর কেনাকাটা করেছ?
মধুমিতা: না, সময় পাইনি তবে অনেক জামা রয়েছে, সেগুলোই পরব। কারণ সেভাবে বের হব না।
ঐন্দ্রিলা: কি খেতে ভালবাস?
মধুমিতা: ফুচকা খেতে খুব ভালোবাসি। আর বাকি সব রকম খাবারই ভালো লাগে খেতে। চিকেন, মটন, সব চলে।
ঐন্দ্রিলা: পুজোয় ডায়েটে থাকা হবে নাকি চুটিয়ে খাওয়া দাওয়া হবে?
মধুমিতা: একেবারেই পুজোয় ডায়েট করতে পারব না। এই কটা দিন খাওয়াই যায়। প্রচুর খাওয়া-দাওয়া হবে।
ঐন্দ্রিলা: ‘পুজোর প্রেম’ বিষয়টা কেমন লাগে?
মধুমিতা: দেখো পুজোর সঙ্গে প্রেম তো ভীষণ ভাবে জড়িত, তাই পুজোয় প্রেমটা দরকার (হেসে)।
ঐন্দ্রিলা: তোমার ক্ষেত্রে কোনওদিন …!
মধুমিতা: (হেসে) না, আমার সঙ্গে হয়নি। আসলে আমার বাবা মা ভীষণ কড়া ছিলেন। ছোটবেলা থেকে খুব শাসনের মধ্যে বড় হয়েছি। তাই সেভাবে প্রেম হয়ে ওঠেনি। দীর্ঘ ৮ বছর একটা সম্পর্কে ছিলাম। সেটা ভেঙে যাওয়ার পর আর প্রেম ভালোবাসায় ইজেকে জড়াতে ভালো লাগে না।
ঐন্দ্রিলা: আর প্যান্ডাল হপিং…
মধুমিতা: হ্যাঁ, সেটা হয়ে যায়। কারণ পুজর সময় মেলার দোলনা গুলো খুব প্রিয়। আমার বন্ধুরা জোর করে ডেকে নিয়ে যায়। মাঝেমধ্যে ভিড়ে সমস্যা হয়। কিন্তু সামলে নিই।
ঐন্দ্রিলা: তোমার অনুরাগী আর কলকাতা টিভির অনলাইন দর্শকদের জন্য পুজোতে কি বার্তা দিতে চাও?
মধুমিতা: শারদীয়ার শুভেচ্ছা সকলকে। সাবধানে পুজো কাটান। চুটিয়ে ঠাকুর দেখুন, খাওয়া দাওয়া করুন, মজা করুন। হ্যাপি পুজো সকলকে।