কলকাতা বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৬:০৫ ( AM )
চতুর্থ স্তম্ভ: অভিযোগ রাষ্ট্রদ্রোহিতা
সম্পাদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১, ১০:১২:৫১ পিএম
  • / ১২১ বার খবরটি পড়া হয়েছে
  • • | Edited By:

পরীক্ষার হলে বসেই তুমি খবরটা পেয়েছিলে,
মগরাহাটের ছোট্ট একটা গ্রামে, গাছের সঙ্গে বেঁধে,
ওরা কাজলকে গুলি করেছে,
দিন-তিনেক বাদে ওরা এসেছিল, কাজলদের বাড়ি,
মেসোমশাইকে বলেছিল থানায় গিয়ে,

লাশ শনাক্তকরণের কথা-
কেবল দাঁত ঘসেছিল কাজলের ছোট ভাই,
মাসখানেক অর একটা চিরকুট রেখে গিয়েছিল,
রাঙাদার অসম্পূর্ণ কাজ আমি সম্পূর্ণ করতে গেলাম,
আশীর্বাদ কোরও –
মেশোমশাই মারা গেছেন,
আর মাসিমা একতাল কাদার মত বেঢপ একটা আকৃতি নিয়ে,
শুকিয়ে পাথর হয়ে গেলেন,
আর ওদের বাড়ির সামনে দিয়ে হাঁটতে গেলেই, নীচু হয়ে যায় মাথা
খুব দ্রুত, তুমি পথটুকু পেরিয়ে যাও।

যতদুর খবর আছে, অধ্যাপক ভট্টাচার্য আর স্বাভাবিক নেই
অত্যাচারে, নির্যাতনে ওরা পঙ্গু করে দিয়েছে মাস্টারমশাইকে,
ফাটিয়ে দিয়েছে পায়ের চেটো,
দুমড়ে দিয়েছে কবজি,
চোখে ভাল দেখতে পান না,
কথা বলতে গেলে জড়িয়ে আসে জিভ,
অভিযোগ রাষ্ট্রদ্রোহিতা,
আদালতে দিন পড়ে, আর প্রিজনভ্যান ফিরিয়ে নিয়ে যায়
জেলখানায় ফের, আজ প্রায় পাঁচ বছর হল
অধ্যাপক ভট্টাচার্য ইলেক্ট্রনিকস পড়াতেন,
পড়াতেন নিউক্লিয়াসের চারপাশে, ইলেক্ট্রন কিভাবে আবর্তিত হয়
ইলেক্ট্রন, যার কার্যত কোনও ওজন নেই,
অথচ ইলেক্ট্রনের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে, পরমাণুর ধর্ম।
আর নিউট্রন কণিকা যার কোনও বৈদ্যুতিক আধার নেই,
অথচ নিট্রনের সংখ্যার তারতম্য ঘটলে, কিভাবে বদলে যায়
একটা পরমাণুর গঠন, তার ভৌত ধর্ম।
তোমরা নোট নিতে, আর তিনি হাসতেন
বেদনা অথবা তাচ্ছিল্যের,
শেষের দিকে আর কলেজে আসতেন না,
একদিন খবর থেকে, গুলু ওস্তাগর লেনের এক বস্তির থেকে
পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে অধ্যাপক ভট্টাচার্যকে,
অভিযোগ, রাষ্ট্রদ্রোহিতা।

শর্বাণী আর রেখা,
বস্তির ভেতর একটা স্কুলে ওরা পড়াতে যেত,
স্পেশাল ব্রাঞ্চের জিপ একদিন, সেখান থেকেই ওদের তুলে নিল
অভিযোগ, রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
কেননা ওরা মিছিলে আওয়াজ তুলেছিল,
রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি চাই,
পি ডি, মিসা বাতিল করো।
বাতিল করো কালাকানুন –
ওদের বিরুদ্ধে সন্দেহ,
দরিদ্র মানুষদের সঙ্গে ওরা মিশতে যায়,
অংশীদার হতে চায়, তাদের সুখ দুঃখের।

কার্জন পার্ক, ২০ জুলাই, ১৯৭৪
নাল বসানো বুট, থেঁতলে দিল প্রবীরের তলপেট।
কালো ভ্যান আর হিংস্র লাঠির থেকে নেমে আসা সন্ত্রাস,
জানিয়ে দিল এদেশে ভিয়েতনাম উচ্চারণ করা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
গান গাওয়া, নাটক করা রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
রাষ্ট্রদ্রোহিতা, পাঁচজন মানুষের এক সঙ্গে জড় হওয়া।
রাষ্ট্রদ্রোহিতা, স্বদেশের কথা ভাবা।
রাষ্ট্রদ্রোহিতা, ক্ষুধার কথা বলা।
রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা
এদেশে, বেঁচে থাকা।
প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের কবিতা, ‘অভিযোগ রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র ক’টা লাইন।
আসলে রাষ্ট্র হল এমন এক ব্যবস্থা, এমন এক কাঠামো, যার মাথায় বসা প্রত্যেক শাসক, তার বিরোধিতাকে, রাষ্ট্রের বিরোধিতা হিসেবেই দেখাতে চায়। শাসক নিজেকে রাষ্ট্র বলেই মনে করে, তার সামান্যতম বিরোধিতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবেই দেখতে চায় দেখাতে চায়। রাজা বলছে, পৃথিবী স্থির, সূর্য তার চারপাশে ঘুরছে। বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক বলছে, না, সূর্য স্থির, পৃথিবী ঘুরছে। সে রাষ্ট্রদ্রোহী। রীতিমত বিচার করে তাঁকে জেলে পোরা হবে, তাঁর হাতে হেমলক দিয়ে বলা হবে, নাও পান কর, মৃত্যুদন্ড। সে রাষ্ট্র ক্রমশ আধুনিক হয়েছে, যত আধুনিক হয়েছে, তত বর্বর হয়েছে। সে ছলে বলে কৌশলে অন্য দেশ দখল করে, সে রাষ্ট্রের পরিচালনার দায় নিয়েছে, আসলে এক নির্মম শোষণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব, এবং তার বিরুদ্ধে প্রতিটা উচ্চারণকে নির্মূল করার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইন করেছে। আমাদের দেশে সে আইন আনে ব্রিটিশরা, সম্রাট, বাদশাহ, নবাবরা আইন ছাড়াই কোতল করত। সুসভ্য ব্রিটিশ জাত আইন এনে কোতল করার রাস্তা বের করল। ১৮৬০ এ ব্রিটিশরা তৈরি করলো আইন, রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইন ১২৪ এ, মাথায় রাখুন ১৯৫৭ তে সিপাহী বিদ্রোহ দমন করেছে তারা নিষ্ঠুরভাবে। প্রকাশ্যে বিদ্রোহীদের গাছের ডালে ফাঁসি দিয়েছে। গ্রামের পর গ্রাম আগুন লাগিয়েছে। বিদ্রোহীদের সঙ্গে সামান্যতম যোগাযোগ থাকার অভিযোগে, জেলে পোরা হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষকে। কিন্তু সেই অত্যাচারকে আইনের চেহারা দিতে, ব্রিটিশরা রাষ্ট্রদ্রোহিতার যে আইন এনেছিল, স্বাধীনতার ৭৬ বছর পরে সেই আইনে এই মুহূর্তে সারা দেশে গ্রেফতার হয়ে, জেলে আছেন কম করেও দু লক্ষ মানুষ। ওই একই আইন, একই ধারায়। ব্রিটিশরা এই আইন তৈরি করার কিছুদিনের মধ্যেই, সবচেয়ে বড় আঘাত এল কোথায়? সংবাদ মাধ্যমের ওপর। বঙ্গবাসী পত্রিকায় যোগেন্দ্র সুন্দর বোস এর লেখার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা আনা হয়। সে মামলা বহুদিন চলে, যোগেন্দ্র বোসকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হয়। ১৮৯১ এর পর, আবার বড় রকমের রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয় বাল গঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে। ১৮৮৯ এ ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে উত্তেজনামূলক ভাষণ দেবার অভিযোগে। ১৯০৯ এ আবার একই ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা আনা হয়, এবার ‘পাঞ্জাব কেশরী’ নামে এক পত্রিকায় লেখার জন্য। মামলা চলে, ওনাকে জেলে থাকতে হয়। কিন্তু শেষমেষ জনমতের চাপে ওনাকে ছাড়তে হয়। তার মধ্যেই তিনি বেশ কয়েকমাস জেল খেটে ফেলেছেন। ওই একই আইনে, গান্ধীজি, ভগত সিং, নেহেরু, আজাদ, প্যাটেলকেও জেলে যেতে হয়। একই আইনে পরাধীন ভারতবর্ষে বহু মানুষকে জেলে যেতে হয়। তারমধ্যে জয়প্রকাশ নারায়ণ থেকে, কমিউনিস্ট পার্টির মুজফফর আহমেদ ইত্যাদি তাবড় তাবড় নেতাদের নামও আছে। বহু সাধারণ মানুষকেও ওই একই আইনে জেলে পোরা হয়। এরপর দেশ স্বাধীন হল, কিন্তু রাষ্ট্রদ্রোহিতার ওই আইন থেকেই গেলো। স্বাধীন ভারতে ফরওয়ার্ড কমিউনিস্ট পার্টির কেদারনাথ সিংকে, ১৯৬২ তে ওই আইনে গ্রেফতার করা হয়। সে মামলা বহুদিন চলে। কেদারনাথ সিং মানুষ খুন করেননি, ভাষণ দিয়েছিলেন, অভিযোগটা শুনুন, “That you on 26th day of May, 1953 at village Barauni, P. S. Taghra (Monghyr) by speaking the words, to wit, (a) To-day the dogs of the C. I. D are loitering round Barauni. Many official dogs are sitting even in this meeting. The people of India drove out the Britishers from this country and elected these Congress goondas to the gaddi and seated them on it. To-day these Congress goondas are sitting on the gaddi due to mistake of the people. When we drove out the Britishers, we shall strike and turn out these Congress goondas as well. These official dogs will also be liquidated along with these Congress goondas. These Congress goondas are banking upon the American dollars and imposing various kinds of taxes on the people to-day. The blood of our brothers- mazdoors and Kishanas is being sucked. The capitalists and the zamindars of this country help these Congress goondas. These zamindars and capitalists will also have to be brought before the peoples court along with these Congress goondas.
২৬ মে, ১৯৫৩ তে মুঙ্গেরের তাঘরা গ্রামে তিনি ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছিলেন যে ব্রিটিশরা চলে গেছে। কিন্তু তাদের পোষা কুকুরদের রেখে গেছে। তারা আমাদের দেশে শোষণ চালাচ্ছে। কংগ্রেসি গুন্ডারা দেশের শ্রমিক, কৃষকদের শোষণ করছে। তাদেরকে উৎখাত না করতে পারলে আসল স্বাধীনতা অর্জন করা যাবে না। মাথায় রাখুন, তখন দেশে কংগ্রেসী শাসন চলছে। তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়, সুপ্রিম কোর্ট ও এই অভিযোগ বহাল রাখে।


১৯৮৪, ৩১ অক্টোবর, বলবন্ত সিং আর ভূপিন্দর সিংকে চন্ডিগড়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়, তারা খলিস্তান জিন্দাবাদ শ্লোগান দিচ্ছিল। তার স্বপক্ষে ভাষণও দিচ্ছিল, কিন্তু পঞ্জাব হাইকোর্ট এই মামলা খারিজ করে দেয়। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ১৯ এ বি ধারায় দেওয়া সংবিধানের মৌলিক অধিকারে প্রত্যেক নাগরিকের স্বাধীন মত প্রকাশকে মৌলিক অধিকার বলে মেনে নিয়েছে। অতএব যতক্ষণ না কেউ হিংসার পথ নিচ্ছে, হিংসা ছড়াচ্ছে ততক্ষণ কেবল মতপ্রকাশকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলা হবে না। বিচারপতিরা সেই ১৯৯৫ সালেই, এই আইন বহাল রাখার বিরুদ্ধে মতামত দিয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই স্বাধীন দেশের বহু মানুষকে সিডিশন আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে, শাস্তি দেওয়া হয়েছে, কেবল সিডিশন আইন কেন? আরও সাংঘাতিক আইন এসেছে, এসমা, নাসা, ইউএপিএ আইনে লক্ষ লক্ষ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কে বাদ গেছে? বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা, সমাজকর্মী, ছাত্র, যুবক, সাংবাদিক, লেখক, কবি এমন কি ওকালতি করেন এমন মানুষ জনকেও জেলে পোরা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত সাত বছর সে চেহারার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। সামান্যতম বিরোধিতা দেখলেই সিডিশন আইন লাগু করা হচ্ছে। সাংবাদিক বিনোদ দুয়া, লেখিকা অরুন্ধতি রায় থেকে কে নয়? ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য বলছে, কেবলমাত্র ২০১৬ থেকে ২০১৯ এর মধ্যে এই রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইন, ১২৪ এ তে গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়েছে ১৬০%, হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন ১৬০%, এবং মজা হল আগে এই আইনে শাস্তি পেত মোট দায়ের করা অভিযুক্তদের ৩৩% এর বেশি, এখন তা নেমে এসে দাঁড়িয়েছে ৩.৩৩%। তার মানে এখন এই আইন লাগু করা হচ্ছে, বা এই আইনে গ্রেফতার করা হচ্ছে হ্যারাস করার জন্য, ভয় দেখানোর জন্য। কারা করছে? সেই আরএসএস এবং তাদের রাজনৈতিক শাখা বিজেপি। যারা নিজেরাই ছিল বিশ্বাসঘাতক। যারা ইংরেজদের কাছে বিক্রি করেছিল তাদের বিবেক বুদ্ধি। সারা দেশ যখন ইংরেজ ভারত ছাড় শ্লোগান দিচ্ছে, তখন তারা লিখিত ভাবে ইংরেজ শাসকদের জানিয়েছিল, ওই সত্যাগ্রহীদের ধরিয়ে দিতে তারা যা যা করার তাই করবে। সেই তারা, যারা মহাত্মা গান্ধীকে খুন করেছিল, খুনের চক্রান্তে জড়িত ছিল, সেই তারা আজ প্রতিটি বিরোধিতাকেই রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে মনে করে। কিন্তু চাকা ঘুরছে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি বললেন, এই ধারা এখনও কেন আছে? যে ধারায় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেই ধারা রেখে দেবার যৌক্তিকতা কোথায়? আসলে যে কোনও আটক আইন, যে কোনও কালা কানুনের বিরুদ্ধে আজ জনমত তৈরি করা দরকার। কেবল সেডিশন নয়, ইউএপিএ’র মত আইন নিয়েও ভাবতে হবে। অন্তত একটা ন্যুনতম দাবি তো করাই যায়। বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কর্মসূচিতে, তাদের নির্বাচনী ঘোষণাপত্রে পরিস্কার করে লিখুন, তাঁরা ক্ষমতায় এলে সিডিশন ল, ইউএপিএ’র মত আইন প্রত্যাহার করবেন। এই দাবি ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র। রাষ্ট্রদ্রোহিতার নামে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে চুপ করানোর চেষ্টা বন্ধ হোক।

আর্কাইভ

এই মুহূর্তে

ঝাড়খন্ডে সরকার ফেলতে কোটি টাকার টোপ, তদন্তে দিল্লি যাবে পুলিশ
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে টাকা পেতে প্রয়োজনীয় নথি
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
অক্সিজেনের অভাবে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, দাবি বিজেপি বিধায়কের
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
মোদি-মমতার এডিট ছবি নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
এএফসি কাপের প্রস্তুতি শুরু এটিকে-মোহনবাগানের
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
জাতীয় রাজনীতির রোডম্যাপ ঠিক করতে মমতা-সোনিয়া হাইভোল্টেজ বৈঠক
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
চতুর্থ স্তম্ভ: রাষ্ট্রপতি ভবনে কে?
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন ইয়েদুরাপ্পার আস্থাভাজন বোম্মাই
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
রিপোর্টে কেন ‘কুখ্যাত দুষ্কৃতী’ হিসেবে উল্লেখ? হাইকোর্টে মামলা জ্যোতিপ্রিয় পার্থর    
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
BREAKING দিল্লির নতুন পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
বাবার মৃত্যু যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী ছেলে
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এজলাসে অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত আইনজীবীরা
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
বাংলার টিকা নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
ফের ‘লুকিয়ে’ মুকুলের দিল্লির বাড়িতে সুনীল
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
প্রাচীন হরপ্পা শহরকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ ঘোষণা ইউনেস্কোর
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
© R.P. Techvision India Pvt Ltd, All rights reserved.
Developed By KolkataTV Team