কলকাতা রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০৮:২৫ ( PM )
চতুর্থ স্তম্ভ : গণতন্ত্র
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:০৫:১২ পিএম
  • / ৩২৩ বার খবরটি পড়া হয়েছে
  • • | Edited By:

রাত পোহালে গণতন্ত্র দিবস, নির্ভেজাল ছুটির দিন। পাড়ায় পাড়ায় পিকনিক, খাসির মাংস। আর সাত সকালে লালকেল্লা থেকে ভাষণ আর সেনা বাহিনীর কুচকাওয়াজ। গণতন্ত্রের ওই কামান মিসাইলের বহর দেখে ছোট্ট বেলায় ভাবতাম গণতন্ত্র বেশ এক মিলিটারি মিলিটারি ব্যাপার। বড় হয়ে শুনলাম বটে যে তার মানে OF THE PEOPLE, BY THE PEOPLE, FOR THE PEOPLE, কিন্তু বোধগম্য হয়নি। বরং গণতন্ত্র মানে যে যার মতো করে কাটানো এক ছুটির দিন বলেই ভাবতে বাধ্য হয়েছিলাম।

এতদিন পরে এক ঝটকায় সারা দেশের কাছে এই গণতন্ত্র, যে সংবিধান আমাদের এই গণতন্ত্র দিয়েছে সবটাই সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। যারা নির্বাচনে ভোট দিয়ে বা না দিয়ে বা তাদের ছেলে মেয়ে তাদের আত্মীয় পরিজন মিলে যে সরকার তৈরি হল তারা আমাদের জন্য, আমাদের এবং আমাদের দ্বারা এক ব্যবস্থা যাকে আমরা গণতন্ত্র বলছি। সোজা সাপটা ব্যাপার। তুমি আমাকে প্রশ্ন করতে পারো না হে, তুমি পারো না জিজ্ঞেস করতে যে আমি নাগরিক কিনা, তুমি পারো না ফতোয়া দিতে যে কাল থেকে এরা এরা দেশের বাইরে যাবে, এরা থাকবে না আর এরা থাকবে। না এই অধিকার সংবিধান তোমাকে দেয়নি।

সেই গণতন্ত্র হড়কে গিয়েছে ১০ ধাপ। হ্যাঁ সম্প্রতি এক সমীক্ষায় সারা পৃথিবী জুড়ে দেশগুলোতে গণতন্ত্র কতটা আছে, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে এই সমীক্ষায় হিসেব নিকেশ করে বলা হয়েছে যে ভারতবর্ষের গণতন্ত্র আপাতত ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্রের তালিকাতে আছে এবং ব়্যাঙ্কিয়ে ৫১ নম্বরে, যা আগের থেকে ১০ কম। ১৯৫০, ২৬ জানুয়ারি একটা নতুন ঝকঝকে সংবিধান হাতে দিয়ে বলা হয়েছিল যা সিমরন যা, জি লে আপনা জিন্দেগি। জীবন আরও ভালো হোক, সব্বাই পেট পুরে খেতে পাক, সব্বার থাক রোটি কপড়া মকান। ৭০ টা বছর পরে আমাদের গণতন্ত্র হড়কে যাচ্ছে, পিছলে যাচ্ছে, ক্রমঃশ দ্রুত, আরও দ্রুত বেগে। নির্বাচন পদ্ধতি, বহুত্ববাদ, নাগরিক অধিকার, সরকারি পরিচালনা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ইত্যাদির বিবেচনায় আমরা পিছিয়ে পড়ছি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ক্ষয়ে যাচ্ছে ক্রমশঃ।

প্রায় সারা পৃথিবীর সংবিধান ঘেঁটে বহু পন্ডিত মানুষ বসে, অনেক আলোচনা, তর্ক বিতর্ক করে রচিত হল আমাদের সংবিধান। তা লাগু করা হল ১৯৫০, ২৬ জানুয়ারী। সংবিধানের প্রিঅ্যাম্বল এ বলা হল,
WE, THE PEOPLE OF INDIA, having solemnly resolved to constitute India into a SOVEREIGN SOCIALIST SECULAR DEMOCRATIC REPUBLIC and to secure to all its citizens:
JUSTICE, social, economic and political;
LIBERTY of thought, expression, belief, faith and worship;
EQUALITY of status and of opportunity;
and to promote among them all
FRATERNITY assuring the dignity of the individual and the unity and integrity of the Nation;
সংবিধান লাগু হল ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০। ঠিক সেদিন যিনি ছিলেন ৫০/৬০/৬৫ র কোঠায়, তিনি আজ আর বেঁচে নেই, তাদের মধ্যে অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামী রয়েছেন, যারা দেশ স্বাধীন করার জন্য মার খেয়েছেন, যারা জেল খেটেছেন, লড়াই করেছেন মিছিল করেছেন, নিজেদের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য নয় সন্তানের মুখ ছেয়ে স্বাধীনতার কথাই ভেবেছেন।

স্বাধীনতা তুমি
রবিঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান।
স্বাধীনতা তুমি
কাজী নজরুল ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো
মহান পুরুষ, সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কাঁপা-
স্বাধীনতা তুমি
পতাকা-শোভিত শ্লোগান-মুখর ঝাঁঝালো মিছিল।
স্বাধীনতা তুমি
ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি।
স্বাধীনতা তুমি
রোদেলা দুপুরে মধ্যপুকুরে গ্রাম্য মেয়ের অবাধ সাঁতার।
স্বাধীনতা তুমি
মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশী।

সেই স্বাধীনতা আজ কেবল বিপন্ন নয় বিশ্বাসঘাতকদের হাতে। প্রকাশ জাভড়েকর, বিজেপির মুখপাত্র, কিছুদিন আগে বলেছেন কিছু দেশদ্রোহী, কিছু অসামাজিক লোকজন দেশের পতাকাকে অপমান করার চেষ্টা করেছেন, দেশের সংবিধানকে তারা মানেন না, এই যে কৃষক নেতারা, তারা আন্দোলনের নামে আসলে হিংসা ছড়ানোর কাজ করেছেন।

স্পষ্ট দেখতে পেলাম প্রকাশ জাভড়েকরের মুখে গোয়েবলস এর চেহারা, খাপে খাপ। সেই গোয়েবলস যিনি বলেছিলেন বিগ লাইজ, বড় মিথ্যে বল, এত বড় মিথ্যে যে মানুষ তার তল পাবে না, তারপর সেই মিথ্যেকে আবার, বার বার বলতে থাকো, সেই মিথ্যেটা একদিন সত্যি হয়ে যাবে। নরকের পাঠ পড়িয়েছিল গোয়েবলস, আজ সেই পাঠ পড়াতে বসেছে প্রকাশ জাভড়েকর, আরএসএস – বিজেপি।

কারা অহিংসার কথা বলবে? যাদের গুরুদেবরা যুগিয়েছিল অর্থ ইতালিয়ান বেরেত্তা ৯ এম এম পিস্তল কিনতে, যার গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যাবে এক বৃদ্ধের শরীর, যাঁকে দেশ বলে জাতির জনক। সেই জঘন্য অপরাধীর মূর্তিতে যারা মালা দেয়, নাথুরাম গডসেকে যারা পুজো করে, তাদের কাছ থেকে অহিংসা শিখবে দেশের অন্নদাতারা? হাঁটু পর্যন্ত খেটো ধুতি পরা এক অশক্ত বৃদ্ধের মৃত্যুতে যারা উল্লাস করলো, তারা শেখাবে অহিংসার কথা? যিনি মরার আগে কেবল বলতে পেরেছিলেন হে রাম, যাঁর প্রতিটা সন্ধ্যায় অবশ্য পাঠ ছিল রামধুন, যাদের পরিকল্পনায় ৯ এম এম গুলি তার বুকে বেঁধে, ফিনকি দিয়ে বের হয় রক্ত, তারা রামভক্ত? তারা অহিংস?

প্রকাশ জাভড়েকর গণতন্ত্রের কথা বলছে? গণতন্ত্র? কে বিশ্বাস করে আরএসএস? আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা নিজে লিখে গিয়েছেন হিটলারের মত সামরিক শাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা, যাদের আইকন হল হিটলার, মুসোলিনী, যাদের ফ্যাসিবাদের শিকড় ইতালির থেকে নেওয়া, যারা পার্মানেন্ট সলিউশন টু দ্য জিউইস কোয়েশ্চেন এর বদলে পার্মানেন্ট সলিউশন অফ দ্য মুসলিম কোয়েশ্চেন নিয়ে মত্ত তারা বলবে গণতন্ত্রের কথা? ফাসিস্ত দানব বলবে সবার সমান অধিকারের কথা? যারা গরু ছাগল ভেড়ার মত সাংসদ বিধায়ক কিনে বেচে সরকার তৈরি করে, বিরোধীদের সরকার ভেঙে দেয়, তারা বলবে গণতন্ত্রের কথা? কোন মুখে? সূর্য ওঠার আগে রাজভবনে দল ভাঙিয়ে শপথ নেবার পরের দিন যাদের মুখ পুড়েছে, তারা বলছে গণতন্ত্রের কথা? অতিমারীর মধ্যে বিরোধী দলের সরকার ভাঙার জন্য যারা এমএলএ কিনে রেখে দেয় রিসর্টে, নির্বাচিত সরকার ফেলে দেয়, তারা গণতন্ত্রের কথা বলবে? যারা দেশের কোটি কোটি মানুষকে আড়ালে রেখে একের পর এক দেশের সম্পদ বেচে দিচ্ছে, তারা গণতান্ত্রিক? কোনও রকম আলোচনার সুযোগ না দিয়ে তড়িঘড়ি করে তিনটে কৃষি বিল পাস করিয়ে যারা কৃষিক্ষেত্রকে দালাল কর্পোরেট হাউসের হাতে তুলে দিতে চায় তারা গণতন্ত্রের কথা বলবে আর আমরা শুনবো? কেন? আজ বাধ্য হয়ে সে বিল ফেরত নিয়েছে, কদিন পরেই আবার নতুন করে আনবে বলে।

দেশপ্রেম? কাদের মুখে শুনছি এ কথা? প্রকাশ জাভড়েকরের দেশপ্রেম? আরএসএস বিজেপির দেশপ্রেম? পাঁচ পাঁচটা চিঠিতে যাদের নেতা ফিলোজফার গাইড, সাভারকর কাকুতি মিনতি করে মুচলেকা দিয়েছে ইংরেজদের কাছে, যাতে ছত্রে ছত্রে আছে বীর সাভারকারের কাপুরুষতার কাহিনী, কিভাবে ইংরেজদের সাহায্য করার প্রস্তাব দিয়ে ছাড়া পেতে চেয়েছিলেন আন্দামানের কারাগার থেকে, তারা দেশপ্রেমিক? সরসঙ্ঘচালক গোলওয়ালকর ইংরেজদের লিখছেন, কিভাবে ৪২ এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিরুদ্ধে তারা ইংরেজদের পাশে দাঁড়াতে চায়। সঙ্ঘের প্রত্যেক সদস্যের কাছে নির্দেশ যাচ্ছে এই মর্মে, নির্দেশ যাচ্ছে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগদান না করার। যারা এই নির্দেশ দিচ্ছে, তারা দেশপ্রেমী? যারা মুসলিম লিগের হাত ধরে দেশটাকে দু-টুকরো করার আবেদন করছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছে, তারা দেশপ্রেমিক? তাদের কাছ থেকে আমাদের দেশপ্রেম শিখতে হবে যারা জওয়ানদের লাশের ওপর দিয়ে নির্বাচনী সাফল্য আনে, আনার চেষ্টা করে?

যারা ৫৩ বছর জাতীয় পতাকা তাদের সদর দফতরে তোলেনি, তুলেছে ভাগওয়া ঝান্ডা তারা আজ জাতীয় পতাকার কথা বলছে। আম্বেদকর, সংবিধান এর জন্য তৈরি গণপরিষদ নিয়েছিল এই ত্রিবর্ণ জাতীয় পতাকার সিদ্ধান্ত। কী ছিল তখন এই আরএসএস এর ভূমিকা?

তাদের পত্রিকা দ্য অর্গানাইজার এ তারা লিখেছিল, “The people who have come to power by the kick of fate may give in our hands the tricolour but it will never be respected and owned by Hindus. The word three is in itself an evil, and a flag having three colours will certainly produce a very bad psychological effect and is injurious to a country.” লিখেছিল হিন্দুরা কখনও এই ত্রিবর্ণ পতাকাকে মেনে নেবে না, তিন সংখ্যাটাই হল অশুভ, তিনটে রং দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে, হ্যাঁ এ কথা আর এস এস এর মুখপত্রে লেখা হয়েছিল, তারা আজ জাতীয় পতাকার কথা বলছে, তারা জাতীয় পতাকার সন্মান অসন্মান নিয়ে কথা বলছে? গোলওয়ালকর তাঁর বই বাঞ্চ অফ থটস এর ড্রিফটিং ড্রিফটিং শিরোনামে লিখছেন, “Our leaders have set up a new flag for our country. Why did they do so? It is just a case of drifting and imitating. Ours is an ancient and great nation with a glorious past. Then, had we no flag of our own? Had we no national emblem at all these thousands of years? Undoubtedly we had. Then why this utter void, this utter vacuum in our minds?” তিনি বলছেন আমাদের নেতারা যে নতুন পতাকা তৈরি করলেন তা মানুষের নজর সরিয়ে দেবার জন্য, আমাদের কী অন্য কোনও পতাকা ছিল না? নিশ্চই ছিল। আসলে তিনি ঐ ভাগওয়া ঝান্ডার কথা বলছেন। তিনি হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা থেকেই কথা গুলো বলছেন, এদের কাছ থেকে জাতীয় পতাকার মান সন্মানের কথা শুনবে দেশের অন্নদাতারা?

বাবরি মসজিদ ভাঙার জন্য যেদিন গিয়েছিলেন এই আর এস এস বিজেপির দল, সেদিন কি জাতীয় পতাকা নিয়ে গিয়েছিলেন? না, যাননি, হাতে ছিল গেরুয়া ঝান্ডা। এইখানেই তফাত, আমাদের অন্নদাতারা তাদের দলের, সংগঠনের, ধর্মের যে পতাকাই লাগান না কেন, সঙ্গে জাতীয় পতাকা নিতে ভোলেননি। সেই অন্নদাতারা বলবেন জাতীয় পতাকার কথা, আরএসএস – বিজেপির কাছ থেকে বকওয়াস শুনবো কেন? এই ২৬ তারিখেই দিলু ঘোষ উলটো জাতীয় পতাকা তুলে দিলেন, জানা নেই যাদের পতাকার কোন দিক সোজা কোন দিক উলটো তারা জাতীয় পতাকা নিয়ে জ্ঞান দেবে? যে দলের প্রধানমন্ত্রী যোগাসনে বসে পতাকা দিয়ে ঘাম মোছে তারা দেশদ্রোহী, তারা সংবিধান বিরোধী। তাদের হাতে জাতীয় পতাকা মানায় না।

এই রাজ্যে এই আর এস এস বিজেপির নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, যিনি চিঠি লিখে কিভাবে ৪২ এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনকে ব্যর্থ করা যায় তার কথা লিখেছিলেন, সেই শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরিরা আমাদের শেখাবে দেশ, দেশপ্রেম, জাতীয় পতাকা?

দেশের মাথায় যারা মনুবাদকে চাপাতে চান, তারা, তাদের মহান নেতা ক্ষণে ক্ষণে বলেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ! কিসের সবকা সাথ? মনুস্মৃতিতে সাফ বলা আছে মাথায় থাকবে ব্রাহ্মণ আর রাজপুতেরা, ব্যবসা করবে বৈশ্যরা আর সেবা করবে শুদ্র রা, কি ভাবে? তাদের ঘরের মেয়েদের আখের খেতে নিয়ে গিয়ে চিৎ করে পেড়ে ফেলা হবে, ধর্ষণ করা হবে, হত্যা করা হবে, তারপর পুলিশি পাহারায় জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। উচ্চবর্ণের সেই জানোয়াররা মিছিল করবে জাতীয় পতাকা হাতে, এটা দেশ না দেশপ্রেম? এই সরসংঘচালক গোলওয়াল্কর তাঁর বাঞ্চ অফ থটস এ লিখছেন, “জাতিভেদ প্রথা আসলে দেশের দুর্বলতা নয়, দেশের শক্তি, জাতিভেদ প্রথা না থাকলে আমাদের দেশ কবেই বহিরাগত শত্রুর কাছে নতি স্বীকার করতো।“ মানে এরা কেবল হিন্দু রাষ্ট্রই চায় না, এরা মনুবাদ চায়, চতুর্বণের প্রতিষ্ঠা চায়, এরা আমাদের সংবিধানে যে জাতিভেদ প্রথা তুলে জাতি ভাষা বর্ণ লিঙ্গ নির্বিশেষে মানুষের সমানাধিকার দেওয়া হয়েছে, তার অবসান চায়।

এঁরা গণতন্ত্রের কথা বলে? যে কোনও গণ আন্দোলনের ওপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নামিয়ে আনতে যাদের এক মুহূর্ত সময় লাগে না? ভীমা কোরাগাঁও মামলা। যারা অভিযুক্ত তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে বুকফুলিয়ে, যারা আন্দোলনকারী বা আন্দোলনের সমর্থক, তাঁরা জেলে, তাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলা চলছে, তারা কেউ কবি, কেউ সমাজকর্মী, কেউ অধ্যাপক, কেউ সাংবাদিক। দিল্লি দাঙ্গা, যারা বললেন গোলি মারো শালো কো তাঁরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন, যারা আন্দোলন করলেন উমর খালিদ থেকে অন্যান্য ছাত্র নেতানেত্রীরা, তারা জেলে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেশদ্রোহিতার। একই ছবি কৃষক আন্দোলনে, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে এফ আই আর করা হয়েছেও। সেই কৃষক নেতৃত্ব যাঁরা আন্দোলন করেছেন অন্নদাতাদের জন্য, তাদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় কাটিয়েছেন শীত গ্রীষ্ম বর্ষা, সেই দর্শন পাল সিং, বলবীর সিং রাজেওয়াল, জোগিন্দর সিং উগ্রাহা, বুটাসিং বুর্জগিল, রাজিন্দর সিং, যোগেন্দ্র যাদব, মেধা পাটকর, হান্নান মোল্লা সমেত অন্যান্য কৃষক নেতাদের বিরুদ্ধে এফ আই আর এখনো বরকরার।
এক দেশদ্রোহী সংগঠনের লোকজন কবজা করেছে আমাদের সংসদ, আমাদের দেশ, শুরু হোক তাদের বিরুদ্ধে এক নয়া আজাদির লড়াই, নয়া গণতন্ত্রের লড়াই।

আর্কাইভ

এই মুহূর্তে

Arjun Singh: ঠাণ্ডা ঘরে বসে ফেসবুকে রাজনীতি করেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা, কটাক্ষ অর্জুনের
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Weekly horoscope: মীন রাশির জাতকদের জন্য কেমন হবে এই সপ্তাহ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Weekly horoscope: কুম্ভ রাশির জাতকদের জন্য কেমন হবে এই সপ্তাহ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Dilip Ghosh: ক্ষমতার কাছে থাকতেই বিজেপি ছাড়লেন অর্জুন, কটাক্ষ দিলীপের
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Weekly Horoscope: মকর রাশির জাতকদের জন্য কেমন হবে নতুন সপ্তাহ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Weekly horoscope: ধনু রাশির জাতকদের জন্য কেমন হবে এই সপ্তাহ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Weekly horoscope: বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য কেমন হবে এই সপ্তাহ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Weekly horoscope: তুলা রাশির জাতকদের জন্য কেমন হবে এই সপ্তাহ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Arjun Singh: তৃণমূলে যোগ দিয়েই অধিকারীদের বাণ অর্জুনের
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Abhishek Banerjee: ৩০ মে শ্যামনগরের সভায় নেতাদের ঐক্যের বার্তা দেবেন অভিষেক?
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Arjun Singh: সুখী তৃণমূল, একমঞ্চে অর্জুন-জ্যোতিপ্রিয়-পার্থ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Arjun Singh: মমতার নেতৃত্বে দেশজুড়ে বড় আন্দোলনের অপেক্ষা, নিজের ঘরে ফিরে বললেন অর্জুন
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Arjun Singh: বিজেপি অর্জুনহীন, পার্থ-জ্যোতিপ্রিয়র উপস্থিতিতে তৃণমূলে ব্যারাকপুরের সাংসদ
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
তৃণমূলের বিধায়ক, বিজেপির সাংসদ অর্জুনের রাজনীতির চাকা ঘুরেছিল কংগ্রেসে
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
Arjun Singh: অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলে অর্জুন, ৩ বছর পর ঘরওয়াপসি
রবিবার, ২২ মে, ২০২২
© R.P. Techvision India Pvt Ltd, All rights reserved.
Developed By KolkataTV Team