প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, যুবক জলে ঝাঁপ দিতেই ঘাটে উপস্থিত মানুষজন চিৎকার শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল পৌঁছে যায়। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের সন্ধান মেলেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘাটের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তিনি একাই ঘাটে এসেছিলেন। যদিও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে নারাজ পুলিশ।
লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় সকালবেলার অফিস টাইমে বিপাকে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। হাওড়া–আহিরীটোলা–বাগবাজার রুটে প্রতিদিন বহু মানুষ ফেরি ব্যবহার করেন। পরিষেবা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেককেই বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছতে হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীর স্রোত ও গভীরতার কারণে তল্লাশি দীর্ঘায়িত হতে পারে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত নৌকা ও উদ্ধারকর্মী নামানো হতে পারে। ঘটনার পর শহরের ব্যস্ত নদীঘাটগুলিতে নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর দাবিও উঠছে।