কলকাতা: রাজ্যের একমাত্র চীনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পেই মে চাইনিজ স্কুল (Pei May Chinese School) ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সম্পূর্ণ খালি করে দেওয়া হবে বলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জানাল রাজ্য সরকার (West Bengal State Government)। মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যকে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ বিষয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতিপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন।
শুনানিতে আদালত জানায়, আপাতত চীনা সম্প্রদায়ের নববর্ষ উদ্যাপন শেষ হলেই যত দ্রুত সম্ভব স্কুলের আটটি ঘর সিআইএসএফ-এর হাতে তুলে দিতে হবে। আদালতে সিআইএসএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে বাহিনীর ১৩০ জন নিরাপত্তারক্ষী স্কুলের মাত্র ১০টি কক্ষে অত্যন্ত দুর্বিষহ অবস্থায় থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। জায়গার অভাবে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বারান্দাতেও থাকতে হচ্ছে বলেও দাবি করেন সিআইএসএফের (CISF) আইনজীবী।
আরও পড়ুন: SIR-এ গাফিলতি! ফারাক্কার AERO-কে সাসপেন্ড করল কমিশন
বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের আইনজীবীর কাছে প্রশ্ন তোলেন, নিরাপত্তারক্ষীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা কী করা হচ্ছে। জবাবে রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী অমল সেন আদালতকে জানান, নববর্ষ উদ্যাপন শেষ হলেই অতিরিক্ত ঘর ফেরত দেওয়া হবে এবং ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সম্পূর্ণ স্কুল চত্বর খালি করে দেওয়া হবে।
আদালত এ সময় মামলাকারী স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনজীবীকেও মনে করিয়ে দেয় যে, বর্তমানে যাঁরা সেখানে রয়েছেন, তাঁরা সিআইএসএফ-এর নিরাপত্তারক্ষী। তাঁদের জন্য কয়েক দিনের অনুমতি দেওয়া হবে বলে আদালত আশা প্রকাশ করে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আরজি কর হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর পর সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশে হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে সিআইএসএফ মোতায়েন করা হয়। সেই সময় বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা হিসেবে পেই মে চাইনিজ স্কুলের জায়গা সাময়িকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে, দু’মাসের জন্য দেওয়া অনুমতি এখনও পর্যন্ত কার্যকরভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি বলেই তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়।
দেখুন আরও খবর:
