কলকাতা: প্রায় ৫০ বছর পর বাংলায় দু’দফায় নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)। সে বছর জুন মাসে ১১ ও ১৪ জুন ভোট হয়। এরপর ২১ জুন জ্য়োতি বসুর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে।তারপর দীর্ঘ সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হয়েছে। গত কয়েকটি বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election) যেখানে ৭-৮ দফায় ভোট হয়েছে। প্রায় ৫০ বছর পর ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026) হবে মাত্র দু’দফায়।যা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা। ভোটে হিংসা রুখতে ২ হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়।
রাজ্যে দু’দফা নির্বাচনে ২০০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন করছে নির্বাচন কমিশন(Election Commission)। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া, ভোটের নিরাপত্তা, গণনা সহ বুথের নিরাপত্তায় আরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন। কমিশনের তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে বাহিনীর আবেদন জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে এলাকায় টহল বা ‘এরিয়া ডমিনেশন’, ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি, ভোটের দিনে নিরাপত্তা প্রদান এবং ইভিএম স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়া। ১ মার্চ প্রথম দফায় রাজ্যে আসে ১১০ কোম্পানি সিআরপিএফ ও ৫৫ কোম্পানি বিএসএফ, পাশাপাশি সিআইএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি-র বাহিনীও মোতায়েন করা হয়। পরে ১০ মার্চ আরও ১২০ কোম্পানি সিআরপিএফ ও ৬৫ কোম্পানি বিএসএফ-সহ অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে টহল দিলেও ইতিমধ্যেই কয়েকটি অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে।
আরও পড়ুন: ফের বড় পদক্ষেপ কমিশনের! এবার সরানো হল ডিজি ও সিপি-কে
নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, ভোটের দিন থেকে গণনা ৪ মে পর্যন্ত পুরো সময়ে রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে ২,০০০-এরও বেশি কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন হতে পারে। দিল্লির ‘নির্বাচন সদন’-এ সাংবাদিক বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর দফার সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে নির্বাচন পরিচালনা আরও কার্যকর ও সুবিধাজনক হয়। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বাকি রাজ্য, অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পন্ডিচেরীতে ভোট হবে একদিনেই।
