কলকাতা: এসআইআর (Bengal SIR) প্রক্রিয়া সুস্থভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা কেন্দ্রীয়ভাবে তা পর্যবেক্ষণের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দুজন বিচারপতির কমিটি করেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। দুই বিচারপতির কমিটিতে রয়েছেন বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নির্বাচনী বুথের নিরাপত্তা সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বক্তব্যের পালটা হলফনামা দিয়ে তার বক্তব্য জানাতে চান বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এক সপ্তাহ সময় দিলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।
রাজ্যে বুথের সংখ্যা কমবেশি ৮০ হাজার। সেই সংখ্যা এবার কিছুটা বাড়াতে চাইছে কমিশন। এমতাবস্থায়, আক্ষরিক ও অনাক্ষরিক অর্থে বুথ মজবুত করতে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি।উল্লেখ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল NBCC (National Building construction Corporation) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের নির্বাচনী বুথ গুলোর নিরাপত্তা, পানীয়জল, বিদ্যুৎ, টয়লেট সহ অন্যান্য সুবিধা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে। আজকে মামলার ফের শুনানি ছিল। কিন্তু মামলাকারীর পক্ষ থেকে জানান হয় তারা অতিরিক্ত হলফনামা দিয়ে নিজেদের বক্তব্য জানাতে ইচ্ছুক।বুথের নিরাপত্তা সহ অন্যান্য বিষয় যাতে অতীতের নির্বাচন গুলোর মত না হয় তা সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন বক্তব্য জানাতে।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, একটি বুথকে প্রকৃত অর্থে নিরাপদ করে তুলতে অনেককিছুই প্রয়োজন। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না-থাকলে, আলোআঁধারে ভুয়োর ভূতেরা দলে-দলে ভিড় করতে পারে। আবার, ওয়েব ক্যামেরা কাজ না-করলে ছাপ্পার ছবি ধরা পড়ে না। এবং, গত লোকসভায় ডায়মন্ড হারবারের বহু বুথেই বেশ কিছুক্ষণের জন্য ওয়েব ক্যামেরা কাজ করেনি। এমতাবস্থায়, কমিশনের গা-ছাড়া মনোভাবে যেন রাজ্য প্রশাসন বুথগুলোকে ‘নিজের মতো করে সাজিয়ে’ নিতে পারে, সেই লক্ষ্যেই শমীকের এই পদক্ষেপ। অন্তত তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
