নয়াদিল্লি: রান্নাঘরে ব্যবহৃত এভারেস্টের জিরে গুঁড়ো নিয়ে সতর্কতা। পরীক্ষায় নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়ার পর এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টসের জিরে গুঁড়োর একটি নির্দিষ্ট ব্যাচকে ‘আনসেফ’ ঘোষণা করেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা এফএসএসএআই। সংশ্লিষ্ট ব্যাচের পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যে ব্যাচটি নিয়ে এই পদক্ষেপ, তার নম্বর E080668761। গোয়ার রিভারসাইড রিসর্টস অ্যান্ড হলিডে হোমস প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে জিরে গুঁড়োর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। ফুড অ্যানালিস্টের রিপোর্টে অ্যাজক্সিস্ট্রোবিন এবং থায়ামেথক্সাম—এই দুই কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি পাওয়া যায় বলে জানানো হয়েছে।
প্রথম পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে নমুনাটিকে খাদ্য নিরাপত্তা ও মান আইন, ২০০৬-এর আওতায় ‘আনসেফ’ ঘোষণা করা হয়। তবে সংস্থাটিকে ওই রিপোর্টের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। পরে নমুনাটি রেফারাল ফুড ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও দুই কীটনাশকের মাত্রা নির্ধারিত সীমার বেশি বলে নিশ্চিত করা হয় বলে এফএসএসএআই-এর পদক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর পরেই সংশ্লিষ্ট পুরো ব্যাচ বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টসকে রিকল করা পণ্যের সম্পূর্ণ হিসাব রাখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিকল সংক্রান্ত তথ্য ও স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
একই ধরনের সমস্যা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, তার জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থাও নিতে বলা হয়েছে। রিকল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর তার রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।
তবে এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এফএসএসএআই-এর পদক্ষেপটি এভারেস্টের সমস্ত জিরে গুঁড়োর বিরুদ্ধে নয়। শুধুমাত্র E080668761 ব্যাচটি এই নির্দেশের আওতায়। তাই বাড়িতে এভারেস্টের জিরে গুঁড়ো থাকলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে প্যাকেটের ব্যাচ নম্বর মিলিয়ে দেখা জরুরি।
