ওয়েব ডেস্ক: নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে ব্যবধান বাড়াল বিজেপি। প্রথম রাউন্ড গণনার পর নন্দীগ্রাম উপর্নিবাচনে পদ্ম শিবিরের প্রার্থী হাসিরানি রথ ৯৬০০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষে ১৯২৯১ ভোটে এগিয়ে গেলেন তিনি। দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস, তৃতীয় স্থানে সিপিআই, চতুর্থ স্থানে আইএসএফ, পঞ্চম স্থানে গণতান্ত্রিক তৃণমূল।
রেজিনগরে তৃতীয় রাউন্ড গণনার শেষে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৩১,৭২৪ ভোটে এগিয়ে। দ্বিতীয় রাউন্ডের গণনার পর শাখারভ এগিয়ে ছিলেন ১১ হাজারেরও বেশি ভোটে। তৃতীয় রাউন্ডের পর দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ স্থানে যথাক্রমে এজেইউপি, কংগ্রেস এবং সিপিএম। পঞ্চম স্থানে মমতা তৃণমূল।
আরও পড়ুন: ‘দেশ ও বাংলার প্রয়োজনে দিল্লি যাচ্ছি’, জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
বেলা যত বাড়ছে, দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই বিজেপির জয় স্পষ্ট হচ্ছে। গণনা যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে ব্যবধান। নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিতই ছিল রাজনৈতিক মহল। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে রেকর্ড হবে বলে দাবি করেন। সেদিন নিজের বুথে ভোট দান করে তিনি জানান, ২০১৬ সালে তিনি যে ৮০ হাজার ভোটে জিতেছিলেন, সেই মার্জিন ছাড়িয়ে যেতে পারেন উপনির্বাচনের প্রার্থী হাসিরানি।
এদিকে কংগ্রেসের অভিযোগ, রেজিনগরের পদ্ম শিবিরের প্রার্থী শাখারভ সরকার বিভিন্ন বুথে ঢুকে নিজেই ছাপ্পা ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়েছে তারা, সেই সঙ্গে দাবি জানিয়েছে শুক্রবারের ভোট গণনা স্থগিত রাখার। যদিও বিজেপি প্রার্থী এই অভিযোগকে নস্যাৎ করে জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণের দিন ইভিএম-এ গোলমাল হওয়ার খবর শুনে বুথে গিয়েছিলেন তিনি।
