কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের ভোটের (West Bengal Assembly Election) মাত্র কয়েকদিন আগে ফের পুলিশ পর্যবেক্ষক (Police Observer) নিয়োগ নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। ভিনরাজ্যের এক আইপিএস অফিসারকে বাংলার পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। নবনিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক সর্বানা বিবেক এম। তিনি ওড়িশা ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, তার খেয়াল রাখবেন পুলিশ পর্যবেক্ষক। সেই সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট তিনি কমিশনে পাঠাবেন।
এর আগেও একাধিকবার পুলিশে রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক পুলিশ আধিকারিক, আইপিএসকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিনরাজ্যের আধিকারিককে বাংলার ভোট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা, ভোটের সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম ঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না-তার উপর নজর রাখবেন এই নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক।নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে কমিশন নজরদারি আরও আঁটসাঁট করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।বাংলার ভোট নিয়ে সতর্ক কমিশন (ECI)। গত মাসে রাজ্যে এসেই আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে সুষ্ঠু ভোটের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। অশান্তি এড়াতে পুলিশ-প্রশাসনের একাধিক পদে রদবদল হয়েছে।গতমাসেই বিহার, তেলেঙ্গানা, দিল্লি, পাঞ্জাব, গুজরাত থেকে বাংলায় এসেছেন অন্তত ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক। জেলাভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। সাধারণ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২৯৪।
আরও পড়ুন: ‘আমরা ভালোবাসায় বিশ্বাসী’, যোগীর ‘বুলডোজার’ হুমকির পাল্টা দিলেন মমতা
বাংলার ভোটে অশান্তি একেবারে হয় না তা বলা যাবে না। বোমাবাজি থেকে খুন – এমন নানা বড় ঘটনার সাক্ষী থাকে বহু জায়গা। একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। আর সে কারণেই ভোটের কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশমতো কাজ করার কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।
