নয়াদিল্লি: অনুপ্রবেশের (Illegal Infiltration) জেরে সংখ্যালঘু হওয়ার পথে হিন্দুরা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম বড় ইস্যু ছিল বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ বন্ধ করা। দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয় নিয়ে সরব ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। অভিযোগ ছিল, বিপুল হারে অনুপ্রবেশের ফলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ তথা দেশের জনবিন্যাস বদলে (Unnatural Demographic Change) যাচ্ছে। দেশে ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাস পরিবর্তন’ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করল কেন্দ্র। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
জনবিন্যাস পালটে যাচ্ছে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির! জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি হয়েছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ! ‘দেশ বাঁচাতে’ ‘ভিশন ডেমোগ্রাফি’ মিশনের কথাও ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির সেই নির্দেশ মতো এবার জনবিন্যাসে বদল রুখতে কার্যকরী পদক্ষেপের পথে হাঁটল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করলেন, অনুপ্রবেশের জেরে জনবিন্যাসে বদল এবং সেটার প্রভাব কী জনমানসে পড়ছে তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চস্তরীয় কমিটি গঠন করছে কেন্দ্র।ওই কমিটিতে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকর, প্রাক্তিন আইএএস অফিসার দুর্গাশঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক বালাজি শ্রীবাস্তব এবং অর্থনীতিবিদ ডঃ শমিকা রবি। এছাড়াও এই কমিটিতে থাকবেন সেনসাস কমিশনার, স্বরাষ্ট্রদপ্তরের সচিব এবং বিদেশ সচিবেরা।
আরও পড়ুন:সীমান্ত পরিদর্শনে জুনেই বঙ্গে সফরে শাহি
শাহ জানিয়েছেন, এই কমিটির কাজ হবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুপ্রবেশের জেরে এবং অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে যে জনবিন্যাসের বদল আসছে, সেটা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করা।অমিত শাহ আরও জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসনের ফলে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ের জনসংখ্যার যে অস্বাভাবিক পরিবর্তন হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, জনবিন্যাসের এই পরিবর্তন রোখা দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষার পাশাপাশি, জাতীয় নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা এবং উপজাতি সমাজ রক্ষার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
