ক্লাসরুম খালি করা নিয়ে মামলা গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে!

0
22

ওয়েব ডেস্ক : ১৫ ফেব্রুয়ারি পেই মে চাইনিজ স্কুলে চিনা সম্প্রদায়ের নববর্ষ উৎযাপন। কিন্তু উৎসব আয়োজনকে কেন্দ্র করে ক্লাসরুম খালি করা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট-এ (Calcutta High Court) রাজ্য সরকার জানায়, বিদ্যালয়ের মোট ১৮টি শ্রেণিকক্ষের মধ্যে ৮টি সাময়িকভাবে খালি করা হয়েছে। তবে স্কুল (School) কর্তৃপক্ষের দাবি, এখনও পর্যন্ত ওই কক্ষগুলি তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আজ দুপুর ২টায় সিদ্ধান্ত জানাবে হাইকোর্ট।

এ নিয়ে আদালতে রাজ্যের আইনজীবী এমল সেন জানিয়েছেন, “১৫ ফেব্রুয়ারি চিনা সম্প্রদায়ের নববর্ষ উৎযাপন। তাই পেই মে চাইনিজ স্কুলের ৮ টি ক্লাসরুম খালি করে দেওয়া হয়েছে। মোট ১৮ টি ক্লাসরুম আছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে ক্লাস রুম খালি করা হয়েছে। তবে শুধুমাত্র উৎসবের জন্য সাময়িক খালি করা হচ্ছে। কারণ গত ডিসেম্বর মাসে রাজ্য আদালতের কাছে ৬ মাস সময় চেয়েছে। এখন বাকি ১০ টা ঘরে বাকি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এডজাস্ট করে রাখা হচ্ছে।”

আরও খবর : SIR প্রক্রিয়ার মাঝে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে তলব কমিশনের

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আইনজীবী সপ্তাংশ বাসু বলেছেন, “ক্লাসরুমগুলি এখনও বিদ্যালয় কতৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয়নি।” আর এ লনিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণারাও বলেছেন, “আজ বেলা ২ টোয় বিদ্যালয় কতৃপক্ষকে জানাতে হবে তাঁদের ক্লাসরুমগুলো হস্তান্তর করা হল কি না। পাশাপাশি রাজ্যকে জানাতে হবে ওই বিদ্যালয়ে কতজন কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। তাঁদের জন্য কত ক্লাস রুমের প্রয়োজন।”

উল্লেখ্য, উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর বিদ্যালয়ের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিল। আরজিকর (Rg Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল-এর নৃশংস ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রায় ২০০ জন সিআইএসএফ জওয়ানকে অস্থায়ীভাবে রাখার জন্য স্কুলে জায়গা নেওয়া হয়। এ বাবদ রাজ্যের খরচ হয়েছিল প্রায় ৪২ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা। পরে ডিসেম্বর মাসে রাজ্য জানায়, ছয় মাস সময় পেলে বাহিনীকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। সেই মামলায় এদিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হাইকোর্ট।

দেখুন অন্য খবর :

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here