14.1 C
New York

সুপ্রিম নির্দেশ মেনে লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিলেন বিচারকেরা

Must Read

কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মেনে সোমবার থেকেই এসআইআর (Bengal SIR) প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতি (লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি)-র নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিলেন বিচারকেরা। বিচারকদের জন্য এখনও পর্যন্ত ২০২ লগ ইন আইডি তৈরি করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে সোমবার নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আবার বৈঠক করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে রবিবার ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। কী কী কাজ করতে হবে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো কোন কোন নথি যাচাই করতে হবে— দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকদের এই সব নানা কিছু বুঝিয়ে দেওয়া হয় সেখানে। তার পরে সোমবার হাই কোর্টে আবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিচারপতি পাল। বৈঠকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন জুডিশিয়াল অফিসারেরা।

রাজ্যের এসআইআর (West Bengal SIR) প্রক্রিয়া ঘিরে নতুন পরিসংখ্যান সামনে এল।সূত্রের খবর, প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাই ও নিস্পত্তি করবেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। আনম্যাপড এবং লজিক্যাল ডিসক্রিমেন্সিতে থাকা ভোটার। ১ কোটি ৫২ লক্ষের মধ্যে। সময় নষ্ট না-করে নথি যাচাই এবং নিষ্পত্তির কাজ দ্রুত শুরু করা উচিত বলে বৈঠকে জানান কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি পাল।বকেয়া তথ্যগত অসঙ্গতি রয়েছে তা নিষ্পত্তি করবেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। ৬০ লক্ষের মধ্যে কোনও ভোটারের নাম বাতিল হলে তাঁরা পুনরায় আবেদনের সুযোগ পাবেন। জেলার ভিত্তিতে পরিসংখ্যান খতিয়ে দেখে কমিশন জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলায় ভোটারের নামের সংখ্যা তুলনায় বেশি। অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম ও কালিম্পং জেলায় সংখ্যাটা কম। কেন এই তারতম্য, তা নিয়েও পর্যালোচনা চলছে।

আরও পড়ুন: সামরিক বাহিনীতে রদবদল, দিল্লি দূতাবাসের কর্তাকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত তারেকের

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে জুডিশিয়াল অফিসারদের (Judicial Officers) সংখ্যা নিয়ে। রাজ্যের তরফে এখনও পর্যন্ত ২০২ জন জুডিশিয়াল অফিসারের নাম পাঠানো হয়েছে। অথচ কমিশনের প্রয়োজন ছিল ২৯৪ জন। যদিও কমিশনের দাবি, এই সংখ্যা বাড়তে পারে। কেন্দ্রীয় কী ভাবে কাজ করবে সেই নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। জানা গিয়েছে,প্রধান বিচারপতি পালও জানান, মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যে কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তাদের ব্যবহার করা যেতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না। সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকিং ডিভাইস থাকবে। কোথায় কোথায় যাচ্ছে কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি করা হবে।

Latest News

CSK-কে হারিয়ে প্রথম জয় পাবে KKR? মেগা-ম্যাচের আগে কীভাবে ছক কষছে নাইটরা?

ওয়েব ডেস্ক: আইপিএল-এর (IPL 2026) শুরুটা একেবারেই সুখকর হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) জন্য। এখনও পর্যন্ত জয়ের...

More Articles Like This