মুম্বই: ঘূর্ণিঝড় মোকার সঠিকভাবে পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগকে(IMD) প্রশংসায় ভরিয়ে দিল বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা(WMO) । বৃহস্পতিবার আর্থ সায়েন্স মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের ডিরেক্টর মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্রের কাছে রাষ্ট্রপুঞ্জের চিঠি পানান। তারপরই টুইটে সেই খবর জানান কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। টুইটে এই খবরকে, “গর্বের মুহূর্ত!” বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রিজিজু বলেন, ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ(IMD) বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা( WMO)-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে যে পূর্বাভাস জানিয়েছিল, তাতে ঘূর্ণিঝড় মোকা চলাকালীন মানুষের জীবন ও জীবিকা দুইই বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জানিয়েছেন, আইএমডি (IMD) এবং ডাবলিউএমও (WMO)-র কথা শুনেই আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতরগুলো কাজ করেছিল।
জানা গিয়েছে, শুধু ভারতেই নয় ১৩টি দেশে সাইক্লোনের সঙ্কেত পাঠায় মৌসম ভবন।সুপার সাইক্লোন মোকা ক্যাটাগরি ছিল পাঁচ। সেই ঘূর্ণিঝড় মে মাসে মায়ানমার-বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষতি হয় দুই দেশে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় মোকার (Cyclone Mocha) তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হন রোহিঙ্গারা (Rohingya people)। বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশে যে কয়েকটা ঘূর্ণিঝড় এসেছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল এই ঝড়। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে প্রায় ১৩০০ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় উখিয়ার বালুখালি ১০ নম্বর শিবিরের। ২৩২টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উল্লেখ্য, মোকা সাইক্লোনের জেরে মায়ানমারে ১৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বাংলাদেশের কোনও মৃত্যু হয়নি। মৌসম ভবনের সতর্কবার্তার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।