নয়াদিল্লি: বিগত কয়েক মাস ধরে যেভাবে দেশের করোনা সংক্রমণ (COVID-19) বাড়তে শুরু করেছিল তাতে চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল চিকিৎসকদের কপালে। তবে স্বস্তি দিয়ে কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৯ দিনে করোনার দৈনিক সংক্রমণ সবথেকে নিচে নামল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Union Health Minister) তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩১৮ জন। সোমবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ২৮২ জন।
তবে গতকালের তুলনায় আজ বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। এর মধ্যে কেরলেই মৃত্যু হয়েছে সাত জনের। গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৪ জনের। যার মধ্যে ৬ জনই কেরলের বলে জানা গিয়েছে। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩১ হাজার ৫৬৪ জন। দেশে করোনা আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী হওয়ায় কমে এসেছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও। দেশে বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ১৭৫ জন। দেশে অ্যাকটিভ কেস দাঁড়িয়েছে ০.১০ শতাংশে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ হাজার ৩৭৯ জন।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সংক্রমণ-বৃদ্ধির নেপথ্য়ে রয়েছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। এছাড়াও সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, ওমিক্রনেরই আর একটি ভ্যারিয়েন্ট XBB.1.15 (ক্র্যাকেন)।এই আবহেই গত বুধবার হাইকোর্টে প্রশাসনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, কলকাতা হাইকোর্টে ফের লাগু হতে চলেছে করোনা বিধি। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সকলকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ এবং নতুন করে করোনা বিধি মেনে সকলকে কাজ করার পরামর্শ দেন। স্বাস্থ্য ভবনের তরফে বলা হয়েছে করোনা পরিস্থিতির দিকে নজরদারি চালাতে। একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বয়স্ক মানুষ, শিশু, কোমর্বিডিটিতে আক্রান্ত, অন্তঃসত্তাদের ভিড় এড়িতে চলতে। সামাজিক দূরত্ববিধির পাশাপাশি, মাস্কের ব্যবহারে জোর দিতে।