ভাঙড়: গভীর রাতে ধুন্ধুমার ভাঙড়ে। আইএসএফ-পুলিশ তুমুল সংঘর্ষ গণনাকেন্দ্রের বাইরে। দুপক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই। আইএসএফের অভিযোগ পুলিশের গুলিতে তাঁদের চার সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, আইএসএফের গুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং তাঁর দেহরক্ষী গুরুতর জখম হন। রাত দুটোর সময়ও ভাঙড়ের কাঁঠালবেড়িয়ায় তুমুল বোমাবাজি চলছে। গণনা কেন্দ্র ঘিরে রেখেছে কয়েক হাজার আইএসএফ সমর্থক। ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছেন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সিদ্ধিনাথ গুপ্তা সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী।
আইএসএফের অভিযোগ, জেলা পরিষদ আসনে তাঁদের প্রার্থী জাহানারা বিবি জয়ী হন। কিন্তু রাতে সরকারি আধিকারিক এবং তৃণমূল বাহিনী মিলে ওই আসনে তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদেই আইএসএফ গণনা কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। চলে রাস্তা অবরোধ। সেই অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আইএসএফ সমর্থকদের বচসা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। দু’পক্ষের মধ্যে রীতিমত গুলির লড়াই চলে বলে স্থানীয়দের দাবি। তখনই পলিশের গুলিতে চার আইএসএফ সমর্থক মারা যায় বলে তাদের দাবি। এরপর জনতা পুলিশকে আক্রমণ করে। চলে বোমা গুলি। পুলিশ অবশ্য দাবি করে তারা রবার বুলেট চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: Panchayat Election 2023 | Khadikul | কিছুদিনের মধ্যেই ছবিটা পাল্টে গেল, বিজেপির দখলে খাদিকুল
রাত আড়াইটার খবর, গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। চলছে সমানে বোমাবাজি। বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে আইএসএফ সমর্থকরা চলে আসছে কাঁঠালবেড়িয়ার গণনাকেন্দ্রে। এরই মধ্যে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন একদল সাংবাদিক। অভিযোগ একটি ঘরে তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে।
এদিকে, বারাসতে জেলা পরিষদের ২৭ নম্বর আসনে সিপিএম প্রার্থী হাবিব আলীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভিডিও অফিসের মধ্যেই তাঁর চোখ গেলে দেওয়া হয় এবং দুপাটি দাঁত উপড়ে ফেলা হয় বলে সিপিএমের অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের সামনেই এই ঘটনা ঘটে। সংকট জনক অবস্থায় হাবিব আলির চিকিৎসা চলছে বারাসত স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।