মুর্শিদাবাদ: পঞ্চেয়েত ভোট কবে তা নিয়ে এখনও চলছে ধন্দ। তবে মনোনয়নপত্র পেশের প্রথম দিন থেকেই জেলায় জেলায় ধরা পড়েছে বিশৃঙ্খলার ছবি। পঞ্চায়েত ভোট হোক সেনাবাহিনী দিয়ে, এমনই দাবি বিরোধীদের। এরই মাঝে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্চন চৌধুরি বলেন, বিডিও অফিসগুলোতে ১৪৪ ধারা জারি করে কোনও লাভ হবে না। সাগরদিঘিতে যেই ভাবে সেনবাহিনী দিয়ে উপনির্বাচন হয়েছে, রাজ্যের সব জেলায় সেই ভাবেই পঞ্চায়েত ভোট হোক। নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবে হয়, সেই দাবি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য কংগ্রেস। ১৪৪ ধারা জারি নিয়ে নয়, সাগরদিঘিতে যেমন মানুষ ভোট দিতে পেরেছেন সে মডেলই ভোট হোক জেলায় জেলায়, দাবি অধীরের।
সোমাবার বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে এসে বেলডাঙা, কান্দি এবং বড়ঞার প্রায় পাঁচশোর বেশির তৃণমূল কর্মী সমর্থক কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তাঁদের হাতে কংগ্রেসের পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। নিরপেক্ষ ভাবে ভোট করলে সারা পশ্চিমবঙ্গ সাগরদিঘি হয়ে যাবে, মন্তব্য অধীরের।
আরও পড়়ুন: Dilip Ghosh | ঠাকুরবাড়িতে অনুমতি নিয়ে যাওয়া উচিত, সেখানেও গায়ের জোর দেখাবেন! কটাক্ষ দিলীপের
প্রসঙ্গত, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করেই বাংলায় বিশেষ পর্যবেক্ষক পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ২০১৮-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনের অশান্তি থেকে শিক্ষা নিয়েই কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে অশান্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সম্ভাব্য অশান্তিপ্রবণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করার পাশাপাশি এলাকা সরেজমিনে খতিয়ে দেখে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিবেচনা করবেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পর্যবেক্ষক। পর্যবেক্ষক হিসেবে আসা কমিশনের ডিজি (তদন্ত) বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্পর্শকাতর কেন্দ্র চিহ্নিত করবেন। রাজ্যের মুখ্যাসচিব ও ডিজিকে তাঁকে সহযোগিতা করতে হবে। কোথায় কী ব্যববস্থা নেওয়া হয়েছে, তা দু’সপ্তাহের মধ্যে জানাতে হবে।