পিয়ংইয়ং: উত্তর কোরিয়া (North Korea) হোয়াসং ১৮ (Hwasong 18) ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (Intercontinental ballistic missile) পরীক্ষা করেছে বুধবার। যা নিয়ে জোর চর্চা চলছে আন্তর্জাতিক মহলে। এরপর তবে কোন মিসাইল পরীক্ষার পরিকল্পনা নিচ্ছে কিম জং উন(Kim Jong Un)? পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়ে দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। আমেরিকার কাছে সতর্কতা এই ক্ষেপণাস্ত্র (Missile)। এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার জন্য আমেরিকা (US) ইতিমধ্যে নিন্দা করেছে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে এই নিয়ে বৈঠকও করেছে। রাষ্ট্রসংঘের (UN) নিরাপত্তা পরিষদ প্রস্তাব পাশ করেছে যাতে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। হোয়াসং ১৮-র কথা প্রথম জানা যায় গত এপ্রিল মাসে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নিজে এই পরীক্ষা খতিয়ে দেখেন। তিনি বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত আমেরিকা ও তার সহযোগিরা হিংস্র নীতি থেকে সরে আসবে ততক্ষণ নিজেকে রক্ষা করার জন্য শক্তিশালী পদক্ষেপ করবে উত্তর কোরিয়া।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, তাদের চারটি এফ-২ ফাইটার জেট, ও আমেরিকার বায়ুসেনার এফ – ১৫সি জেট যৌথ মহড়া চালিয়েছে। কিউশু আইল্যান্ডের পশ্চিমে ওই মহড়া চালানো হয়েছে। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই তাদের এই মহড়া। নতুন মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের তদারকিতে ছিলেন স্বয়ং কিম জং উন। তিনি জানিয়েছেন, যতদিন না আমেরিকা এবং তার সহযোগীরা শত্রুতাপূর্ণ নীতি থেকে সরবে না, তাঁর দেশ তত বেশি করে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলার কাজ চালিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: Burmese Python | আমেরিকার ফ্লোরিডায় সবচেয়ে বড় পাইথন উদ্ধার হল
এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, হোয়াসং ১৮ মিসাইলের দুটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণই সফল হয়েছে। অথচ দৃঢ় প্রপেল্যান্টওয়ালা, বহু স্তরীয়, বিশাল আকারের অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে তাদের সেরকম অভিজ্ঞতাই নেই। এই মিসাইলটিই উত্তর কোরিয়ার এখনও পর্যন্ত সবথেকে লম্বা, এর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্যায় ওড়ানো হয় আকাশ থেকেই, যাতে বিপদের আশঙ্কা কমে যায়। কিম জংয়ের দেশ এও জানিয়েছে, এই মিসাইল ছোড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি কোনও প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এও জানানো হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ১০০১ কিমি (৬২২ মাইল) পথ অতিক্রম করেছে এবং ৬৬৪৮ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত উঠেছে।