বেঙ্গালুরু: অত্যন্ত ছিমছাম, ঘরোয়া, অনাড়ম্বর পরিবেশে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কন্যা। রাজনীতিক কিংবা শিল্পপতিদের বিয়েতে যেমন গণমান্য ব্যক্তিত্ব ও নেতানেত্রীদের তারকা সমাবেশ হয়, সেরকম কিছুই ছিল না দেশের অর্থমন্ত্রীর মেয়ের বিয়েতে। একবারে ঘরোয়া অতিথি আত্মীয়স্বজন ছাড়া অন্য কাউকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বেঙ্গালুরু লাগোয়া নির্জন একটি রিসর্টে বসেছিল বিয়ের আসর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্মলার কন্যা প্রকলা বাঙ্ময়ীর গলায় ব্রাহ্মণ রীতিনীতি মেনে মঙ্গলসূত্র বাঁধেন প্রতীক দোশি।
উদুপি শ্রীকৃষ্ণ আদমার মঠের প্রধান বিশ্বপ্রিয় তীর্থ শ্রীপদ নবদম্পতিকে আশীর্বাদ করেন। এই মঠের তরফেই বিয়ের পৌরোহিত্য করা হয়। বিয়ের কনের পরনে ছিল গোলাপি রঙের শাড়ি এবং সবুজ ব্লাউজ। প্রতীকের গায়ে ছিল একটি সাদা শাল ও পরম্পরাগত পঞ্চ। দেশের অর্থমন্ত্রী পরেছিলেন নীল রঙের মোলাকলমুরু শাড়ির সঙ্গে কমলা রঙের ব্লাউজ।
আরও পড়ুন: Miss World 2023 | India | ২৭ বছর পর মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতা হবে ভারতে
সীতারামনের মেয়ে পেশায় সাংবাদিক। বর্তমানে তিনি মিন্ট লাউঞ্জে ফিটার রাইটার হিসেবে কর্মরত। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করে সাংবাদিকতায় মাস্টার অফ সায়েন্স ডিগ্রি করেন ম্যাসাচুসেটসের বস্টনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে একটি টুইটে নির্মলা সীতারামন মেয়ের সঙ্গে ছবি দিয়ে লিখেছিলেন আমার ফ্রেন্ড, ফিলজফার অ্যান্ড গাইড।
Union Finance Minister Nirmala Sitharaman’s daughter got married in Bangalore yesterday. This news never appeared in any Tamil or English media. pic.twitter.com/9bgTzLZiNr
— Anil_Jacob_IV?? (@follow_amj) June 8, 2023
নির্মলার নতুন জামাই প্রতীক দোশি গুজরাতের ছেলে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরে বর্তমানে কর্মরত। পিএমও-র ওয়েবসাইট অনুযায়ী প্রতীক অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি পদে কাজ করেন। গবেষণা এবং কৌশল রূপায়ণ উইংয়ে সহায়কের কাজ তাঁর। সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট স্কুল থেকে স্নাতক পাশ করেছেন। এর আগে তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও গবেষণার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। সে সময় নরেন্দ্র মোদিই গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সেই হিসেবে প্রতীক প্রধানমন্ত্রী মোদির খুবই প্রিয় পাত্র বলেই নর্থ ব্লকে পরিচিত। মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়ে চলে আসার পর প্রতীকেরও স্থান হয় দিল্লিতে। পদোন্নতি হয়ে যুগ্মসচিব পদে উত্তীর্ণ হন ২০১৯ সালের জুনে।