অন্য বছরের জম্নষ্টমীর চেয়ে এই বছরের জন্মাষ্টমী একটু আলাদা এবং বিশেষ। কারণ শ্রীমদভাগবত পুরাণ অনুসারে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভাদ্র কৃষ্ণ অষ্টমী তিথিতে, বুধবার, রোহিণী নক্ষত্র ও বৃষ রাশিতে। এই বছরও একই তিথিতে পালিত হবে জন্মাষ্টমী। পঞ্চাঙ্গ মতে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রী কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালিত হয়। এই জন্মাষ্টমী উপলক্ষে অনেক বাড়িতে ৫৬ভোগের আয়োজন করা হয়। কিন্তু কেন জানেন? কোন কারণে এই ৫৬ ভোগের আয়োজন হয়?
পুরাণে আছে মা যশোদা শৈশবে গোপালকে দিনে 8 বার খাওয়াতেন। কিন্তু একবার ইন্দ্রদেবকে খুশি করার জন্য নন্দবাবা ও সকলে মিলে একটি বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করছিলেন। গোপাল এই ঘটনার কথা জানতে পেরে বললেন, যদি বৃষ্টির জন্য পুজো করতে চান, তবে ইন্দ্রদেব নয়, গোবর্ধন পর্বতের পুজো করুন, এতে ফল-মূল শাক-সবজি পাওয়া যায় এবং পশুরা চারণ পায়। সবাই মিলে ইন্দ্রদেবের পরিবর্তে গোবর্ধন পর্বতের পূজা শুরু করলেন। যার ফলে রেগে গিয়ে ক্রোধে ইন্দ্রদেবের উপর বর্ষণ করলেন। চারিদিকে বন্যা হয়ে গেল, তারপর কৃষ্ণ সমগ্র গোবর্ধন পর্বতকে এক আঙুলে তুলে সবাইকে রক্ষা করলেন। সেই সাত দিন না খেয়ে গোপাল এই অবস্থায় পড়ে রইল। তারপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে মাতা যশোদা ও সমস্ত গ্রামবাসী কিশোর গোপালের জন্য বেশ কিছু খাবার তৈরি করে সাত দিন দিনে চার বার করে খাওলেন। সেই থেকে এই প্রথা চলে আসছে।
এবার জেনে নেওয়া যাক জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শ্রী কৃষ্ণের ৫৬ ভোগ হিসেবে কী কী নিবেদন করা যায়-
ছোলা, জিলাপি, দই, মাখন, ক্রিম, রসগোল্লা, মাখন, মিশ্রি,
শরবত(৪) ধরনের তার মধ্যে দই, মধু, গোলাপ জল ও ফলের রস, আখ, মরসুমি ফল, মোহন ভোগ, ড্রাই ফ্রুটস, সুজি, মালপোয়া, তালের বড়া, দই চিঁড়ে,
ফিরনি, লুজি, সাদা ভাত, পোলাও, খিচুড়ি, মিষ্টি ভাত, ঘি ভাত, দই ভাত, ঘি, লেবু এবং লবণ দেওয়া জল ভাত,
লাড্ডু, শাক, আধা আচার, ক্ষীর, খাজা, গজা, স্যুপ, চাটনি, তরকারি, দই সবজির তরকারি, রাবড়ি, পাপড়, গরুর ঘি, সিরা, লস্যি, সুভাত, মোহন, সুপারি, এলাচ, ফল, পিঠাপুলি ৫ রকমের, জগবল্লভ, মন্ডা, রস বড়া, পয়েস, খোয়া ক্ষির, ডাল তিন রকমের, গন্ধ লেবু সঙ্গে শাক ৩ রকমের শাক ভাজা, মোচার ঘন্ট,