Placeholder canvas
কলকাতা শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |
K:T:V Clock
Fourth Pillar | মহার্ঘ ভাতা কতটা মহার্ঘ?  
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক Published By:  কৃশানু ঘোষ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০২৩, ১০:৩০:০০ পিএম
  • / ১৬৯ বার খবরটি পড়া হয়েছে
  • কৃশানু ঘোষ

দেশ স্বাধীন হল ৪৭-এ। আমাদের সরকার, আমাদের রাষ্ট্র, আমাদের পুলিশ, আমাদের রেল, আমাদের ডাক তার, আমাদের স্কুল কলেজ, সেখানে যারা কাজ করে তারা রাজকর্মচারী, সরকারি চাকুরে। ইংরেজদের শাসনে দেশ চলত এই সরকারি চাকুরে বা রাজ কর্মচারীদের দিয়েই। তাদের কাজ ছিল বিদেশি শাসনকে, তাদের আইনকে, তাদের লুঠতরাজকে বজায় রাখা, সরকার বাহাদুর, বলা ভালো ইংরেজ সরকার বাহাদুর এই রাজকর্মচারীদের দেখভাল করতেন। একজন আমজনতার মেহনতের মজদুরি ১ টাকা হলে, এই রাজ কর্মচারীরা পেতেন তার ৫০-৬০-১০০ গুণ বেশি মাইনে। কারণ ইংরেজরা জানত আম আদমি আর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ফারাক রাখাটা জরুরি। ১০০ কোটি মানুষকে শাসন করার জন্য সেদিন সেটা জরুরিই ছিল, তারা সরকারি কর্মচারী ছিল না, ছিল রাজ কর্মচারী। সেই ইংরেজরা চলে গেল, দেশ স্বাধীনও হল, কিন্তু সরকারি কর্মচারীরা রাজ কর্মচারীই থেকে গেল। একই হিসেব নিকেশ, লেখাজোখার কাজ করেন একজন অ্যাকাউন্ট্যান্ট। সরকারি দফতরে কাজ করলে তার এক মাইনে, আর বড়বাজারে দোকানে বসে সেই কাজ, কী তার চেয়েও বেশি কাজের জন্য অনেক অনেক কম মাইনে বরাদ্দ, এটা সবাই জানে। 
সেই ১৯৪৭ থেকেই আম জনতার কাছে সরকারি স্কুল খারাপ, সরকারি হাসপাতাল খারাপ, সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা খারাপ, সরকারি সব কিছুই খারাপ, কিন্তু সরকারি চাকরি? সেটা সব থেকে ভালো। হ্যাঁ, বেশিরভাগ মানুষের কাছেই এটাই সত্যি, একটা সরকারি চাকরির জন্য ধরাকরা, ঘুষ দেওয়া, হত্যে দিয়ে পড়ে থাকার কথা আমরা জানি, সবাই জানে। কতটা ভালো? সরকারি দফতরে একজন কনিষ্ঠ কেরানি, আর বেসরকারি দফতরের কেরানির মধ্যে কতটা তফাত? রবি ঠাকুর লিখছেন,

কিনু গোয়ালার গলি।
দোতলা বাড়ির
লোহার-গরাদে-দেওয়া একতলা ঘর
পথের ধারেই।
লোনা-ধরা দেওয়ালেতে মাঝে মাঝে ধসে গেছে বালি,
মাঝে মাঝে স্যাঁতা-পড়া দাগ।
মার্কিন থানের মার্কা একখানা ছবি
সিদ্ধিদাতা গণেশের
দরজার ‘পরে আঁটা।
আমি ছাড়া ঘরে থাকে আরেকটা জীব
এক ভাড়াতেই,
সেটা টিকটিকি।
তফাত আমার সঙ্গে এই শুধু,
নেই তার অন্নের অভাব।
বেতন পঁচিশ টাকা,
সদাগরি আপিসের কনিষ্ঠ কেরানি।
খেতে পাই দত্তদের বাড়ি
ছেলেকে পড়িয়ে।
শেয়ালদা ইস্টিশনে যাই,
সন্ধেটা কাটিয়ে আসি,
আলো জ্বালাবার দায় বাঁচে।
এঞ্জিনের ধস্‌ ধস্‌,
বাঁশির আওয়াজ,
যাত্রীর ব্যস্ততা,
কুলি-হাঁকাহাঁকি।
সাড়ে দশ বেজে যায়,
তার পরে ঘরে এসে নিরালা নিঃঝুম অন্ধকার। 

আরও পড়ুন: Fourth Pillar | নির্বাচনের বছর, বিজেপির প্রস্তুতি 

আজ এই ছবি কতটা আলাদা? একজন কেঃ সঃ চাকুরে, কেন্দ্রীয় সরকারি চাকুরে, ওই কনিষ্ঠ কেরানির আজকের দিনে মাইনে কত? মানে মাসের শেষে কত টাকা তেনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়? নয় নয় করে হাজার পঞ্চাশ টাকা, রাজ্য সরকারের? হাজার চল্লিশ টাকা। বেসরকারি দফতরে? কত? ১৬-১৮ হাজার টাকা। একজন কলেজ শিক্ষকের মাইনে দেড় লক্ষ টাকা, সেই কলেজেই একই পড়াশুনো করান, কন্ট্রাকচুয়াল জব, মাইনে কত? ৪০ হাজার টাকা। যত ওপরে উঠবেন তত অবাক হবেন। কেন এনাদের এত বেশি মাইনে? কত বড় দায়িত্ব তাঁরা পালন করেন? হাজার একটা সরকারি গাফিলতির ফলে, যে অসংখ্য সমস্যা তৈরি হয়, ব্রিজ ভাঙে, রাস্তা ফেটে চৌচির হয়, ঘুষ নিয়ে চোলাই হয়, মানুষ মারা যায়, ওই ঘুষ নিয়েই আরও কত কিছু। ক’জন সরকারি কর্মচারীর শাস্তি হয়, হয়েছে? একটা কলেজের একটা বিষয়ে ৩০ জনের মধ্যে ২৮ জন ফেল, সেই বিষয়ের শিক্ষককে ছাঁটাই করা হয়েছে? একটা স্কুলে ৬০ জনের মধ্যে ২৫ জন ফেল, ক’জনকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে? হয়নি। কিন্তু তাদের মাইনে বেশি, কেবল বেশিই নয়, কিছুদিন পর পর তাদের পে কমিশন হয়, চতুর্থ পে কমিশন, মানে ১৯৮৮-৮৯র আগে যে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ১২০০ টাকা বেসিক স্যালারি পেতেন, সেই তিনি সপ্তম পে কমিশনের পর ৮০-৯০ হাজার টাকা বেসিক পে পান। 

১৯৮৮-৮৯ সালে দৈনিক ন্যূনতম মজুরি ছিল ১১০ টাকা, আজ সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ টাকা। এটাই সরকারের হিসেব, সাধারণভাবে গ্রাম বাংলায় একজন খেতমজুর ১৯৯০ সালে পেতেন ১২০ টাকা ১০ ঘণ্টার কাজের বদলে, আজ তিনি পান ২৩০ টাকা, মানে খুব বেশি হলে দু’ গুণ। আর সরকারি কর্মচারীদের মাইনে বেড়েছে ৫০-৬০ গুণ। এই বিরাট বৈষম্য নিয়ে কথা বলবে কে? হুদো হুদো শ্রমিক নেতারা আছেন, তাঁদের একজনেরও ধক নেই এটা বলার, যে এই বৈষম্য মেটাও, অসংগঠিত ক্ষেত্রে অবস্থা কতটা করুণ, চাকরির মাইনের স্থিরতা নেই। এই যে লকডাউন গেল, কতজন সরকারি কর্মচারীর চাকরি গেছে? কতজন সরকারি কর্মচারীর মাইনে কমেছে? কমা তো দূরের কথা, নিয়মিত বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধি হয়েছে, কেন? সারা দেশের ৪ কি ৫ শতাংশ এই সরকারি কর্মচারীরা কোন এমন কাজ করেন, কোন এমন কাজ করতে পারেন, যা বাইরের কেউ পারে না? কতগুলো রেল দুর্ঘটনায়, কতগুলো পথ দুর্ঘটনায় যেখানে সরকারি গাড়ি বা বাসের দায় ছিল, সেখানে সেই কর্মচারীদের চাকরি গেছে? শেষমেষ বাসের ব্রেক, রেলের যান্ত্রিক গোলযোগের কথাই জানানো হয়েছে, এ তো নতুন কিছু নয়। কিন্তু মাইনে ৩০ বছরে ৪০-৫০ গুণ বাড়বে, আমি বেসিক স্যালারির কথা বলছি। এরপরে ডিএ, মহার্ঘ ভাতা। সেই মহার্ঘ ভাতা নাকি আবার ওনাদের অধিকার, সরকারকে দিতেই হবে। আদালত বহুবার বলেছে, ১৯৫৪ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে, যেখানে পরিষ্কার বলা আছে মহার্ঘ ভাতা অনুদান, অধিকার নয়, বলা আছে, “Subject to any restrictions which the Secretary of State-in-Council may by order impose upon the powers of the Governor-General-in-Council or the Governor in Council, as the case may be, and to the general rule that the amount of a compensatory allowance should be so regulated that the allowance is not on the whole a source of profit to the-recipient, a local Government may grant such allowance to any government servant under its control and may make rules prescribing their amounts and the conditions under which they may be drawn.”  অর্থাৎ রাজ্য সরকার এই অনুদান দিতেও পারেন, নাও দিতে পারেন, এটা তাদের আর্থিক সংস্থান, বিচারের উপর নির্ভর করবে। 

আরও পড়ুন: Fourth Pillar: গরু চুরি, চাকরি চুরি, কয়লা চুরি  

আরও বলা আছে যে, বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে এই মহার্ঘ ভাতাকে মূল বেতনের সঙ্গে মেলানো হয়েছে, কেন্দ্র সরকারের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে, কাজেই এটা একই রকম হতে হবে, এমন কোনও নিয়ম থাকা সম্ভব নয়। ১৯৫৪ সালে লেবার ট্রাইবুনালের রায় আছে, মহার্ঘ ভাতা মাইনের মূল্যমানকে ধরে রাখার ব্যবস্থা, তা কখনই অধিকার নয়। কিন্তু ডিএ চাই দাবি উঠছে। দাবি করছেন কারা? শ্রমিক নেতারা, মার্কসবাদ পড়া, বামপন্থী নেতারা, বাড়িতে লেনিনের ছবি ঝোলে, সেই নেতারা। এই মহার্ঘ ভাতা কী? আপনাকে মাইনে দেওয়া হয়, ওদিকে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, বাড়বেও। যে হারে জিনিসপত্র, পেট্রল ডিজেলের দাম বাড়বে, সেই হারে আপনার মাইনেও বাড়ানো হবে, সোজা হিসেব। আপনার মাইনে মানে বেসিক পে ১০০ টাকা, এবার হিসেব করে দেখা গেল, জিনিসপত্রের যা দাম বেড়েছে তা সামলাতে হলে আপনাকে আরও ১৫ টাকা বেশি দিতে হবে। তাহলে আপনার মাইনে হবে ১১৫ টাকা, বাড়ি ভাড়া ভাতা ইত্যাদি বাদ রাখছি। মোদ্দা কথা হল, জিনিসপত্রের দাম বাড়ার চাপ যাতে আপনাকে না নিতে হয়, সেই জন্য মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হয়। কারা পান? দেশের কমবেশি ২.৫ কোটি মানুষ, যাঁরা রাজ্য বা কেন্দ্রে সরকারি পদে কাজ করছেন, তাঁদের জন্য বছরে দু’বার এই হিসেব করা হয়, মাইনে বাড়ানো হয়। আচ্ছা, দেশের মোট শ্রমিক সংখ্যা কত? ৫০ কোটি। তার মানে কমবেশি ৫ শতাংশ রাজকর্মচারীদের মূল্যবৃদ্ধির ছ্যাঁকা যেন না লাগে, তাই তাদের মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হয়, এবং শ্রমিক সংগঠন, নেতারা বলছেন, এটা তাঁদের অধিকার। মোরা দুজনায় রাজার জামাই, খাইদাই ঘুরি ফিরি, আহা কী মোদের ছিরি, মোরা দিনে করি জাদুগরি, রাতে আয়েসে ঘুমাই। 

একটু উদাহরণ দিই। রাজ্য সরকারের আপার ডিভিসন ক্লার্ক, যিনি ৩০ বছর কাজ করেছেন, তাঁর বেসিক পে ৯৮০০০ হাজার টাকা, তিনি ঘরভাড়া বাবদ ১২ শতাংশ বা ১২০০০ টাকা পান। এই মুহূর্তে ৬ শতাংশ মানে ৫৯০০ টাকা ডিএ পান। তিনি ভারী দুস্থ তাই আরও ৩৬ শতাংশ ডিএ মানে আরও ৩৫ হাজার টাকা দাবি করছেন। সেই বাজারেই এনারা যান, যেখানে বাকি ৪৮ কোটি শ্রমিক শাকসবজি, মাছ, ডাল, তেল, নুন কিনতে যান। ৪৮ কোটির মহার্ঘ ভাতা নেই, তাদের মহার্ঘ ভাতা অধিকার নয়, ২.৫ কোটি মানুষের মহার্ঘ ভাতাটা হল অধিকার। তো আমাদের রাজ্যে সরকারি কর্মচারী কত? কমবেশি ১০ লক্ষ, জনসংখ্যা? ৯ কোটির কিছু বেশি। মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যেকের গায়ে একইভাবে ছ্যাঁকা দিচ্ছে, একইভাবে প্রভাব ফেলছে, কিন্তু মহার্ঘ ভাতার কথা হচ্ছে কেবল ১০ লক্ষ মানুষের, বাকি মানুষের অধিকার নিয়ে কারা কথা বলবে? কোনও একটা ট্রেড ইউনিয়ন, সিআইটিইউ বা এআইটিইউসি, বিপ্লবী শ্রমিক সংগঠন গেছেন হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে যে প্রত্যেক কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা চাই? একজনও যাননি। মহামান্য আদালত বাকিদের মহার্ঘভাতা নিয়ে কবে কথা বলবেন? মাইনে থাকলে বাড়ি ভাড়ার ভাতা, স্বাস্থ্যের খরচের জন্য ব্যবস্থা কিংবা ভাতা, যাতায়াত বা অন্যান্য ভাতা, দিতে হবে, মহার্ঘ ভাতাও দিতে হবে বইকী, কিন্তু সেটা সবার অধিকার, সব্বার, দেশের ৫০ কোটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার। ১০০ শতাংশ শ্রমিক কর্মচারীদের অধিকার, সেটা কেবল মুষ্টিমেয় সরকারি কর্মচারীদের অধিকার হয়ে দাঁড়ালে তো বাকিদের কাছে সেই মহার্ঘ ভাতা, হয়ে উঠবে আরেক বিরাট সমস্যা। সরকারি কর্মচারীরা মহার্ঘ ভাতা চাইবেন, বেতন কমিশন চাইবেন,  এটা তো স্বাভাবিক, কিন্তু রাষ্ট্র, প্রশাসন, শ্রমিক সংগঠন, আদালত কি কেবল তাঁদের কথাই ভাববে? ৫ শতাংশ রাজকর্মচারীদের কথা? গরিষ্ঠাংশ শ্রমজীবী মানুষদের কথা ভাববে কে? তাদের তেলা মাথায় তেল দিতে গিয়ে কত মানুষকে বঞ্চিত করা হবে, কতদিন তারা বঞ্চিত হবেন?

পুরনো খবরের আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১ ১২ ১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭
১৮ ১৯ ২০ ২১ ২২২৩ ২৪
২৫ ২৬ ২৭ ২৮ ২৯  
আর্কাইভ

এই মুহূর্তে

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সফরের মধ্যেই ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
সপ্তাহান্তে ভিজবে শহর, বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
সিগন্যাল সমস্যা, শিয়ালদহ মেন শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
সন্দেশখালিতে বাড়ানো হল ১৪৪ ধারা জারির মেয়াদ
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
৫০ বছর পর চাঁদে অবতরণ মার্কিন মহাকাশযানের
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
সকাল থেকে তৎপর ইডি, শাহাজাহান ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
রোহিতদের চোখে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন যেখানে রিস্টার্ট মোডে ইংল্যান্ড!
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
নদীর চরে ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে মাটি কেটে বিক্রি
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
চোপড়ায় মৃত শিশুদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য মুখ্যমন্ত্রীর
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
পথ দুর্ঘটনার শিকার উচ্চ মাধ্যমিকের ৩ পরীক্ষার্থী
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
সুকান্তকে টেনে হিঁচড়ে তুলে দিল পুলিশ, পরে গ্রেফতার
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
খলিস্তানি বিতর্ক, শাস্তির দাবিতে রাজ্যপালের কাছে শিখ সম্প্রদায়
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
খলিস্তানি বিতর্ক, শাস্তির দাবিতে রাজ্যপালের কাছে শিখ সম্প্রদায়
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
নাবি ধসার প্রকোপ বাড়ায় দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
ডিজি ফিরতেই গোলমাল, শাহজাহানের ভাইয়ের আলাঘরে আগুন
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
© R.P. Techvision India Pvt Ltd, All rights reserved.
Developed By KolkataTV Team