নয়াদিল্লি: অমরনাথ যাচ্ছেন? জানেন কি যাত্রাপথে কোন কোন খাবার খাওয়া যায় না! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বসছেন। আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে অমরনাথ গুহা দর্শন। এদিনই শ্রীঅমরনাথজি ধর্মস্থান সমিতি স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা জানিয়ে দিয়েছে। বোর্ডের ধারণা এ বছর প্রায় ৫ লক্ষ পুণ্যার্থী অমরনাথ দর্শন করবেন। তাদের তালিকা থেকেই বাদ গিয়েছে নানান মুখরোচক, ভাজাভুজি ও লোভনীয় খাদ্যসামগ্রী। এরমধ্যে রয়েছে ঠান্ডা পানীয়, মুচমুচে ভাজা, তেলেভাজা ও ফাস্ট ফুড, ভারী জাতীয় মিষ্টি যেমন জিলিপি কিংবা হালুয়া, পুরি এবং ছোলে-ভাটুরে।
অমরনাথ বোর্ড ও সরকারের তরফে গড়ে তোলা লঙ্গর, ফুড স্টল, দোকান এবং অন্যান্য হকাররা এ ধরনের খাবার বিক্রি করতে পারবে না। অত্যন্ত দুর্গম ও বিপদসঙ্কুল এই যাত্রাপথে ১৪ কিমি হেঁটে পাড়ি দিতে পুণ্যার্থীদের। এই রাস্তায় মাঝেমধ্যেই থাকে খাবারের দোকান। সেখানে যাতে শরীর খারাপ হতে পারে এমন খাদ্য বিক্রি না হয়, তার জন্যই এই সতর্কতামূলক নিষেধাজ্ঞা।
আরও পড়ুন: Panchayat Election 2023 | কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, জানিয়ে দিলেন নির্বাচন কমিশন
অমরনাথ যাত্রীদের স্বাস্থ্য শংসাপত্র বাধ্যতামূলক। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পার্লার ও অস্থায়ী হাসপাতাল গড়া হয়। এ বছরেই সঠিক খাদ্য গ্রহণের নির্দেশিকা দিল বোর্ড। তীর্থযাত্রায় অবশ্যই আমিষ খাবার পাওয়া যাবে না। এছাড়াও মদ্যপান, ধূমপান, তামাকজাতীয় অন্যান্য নেশার বস্তু ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভেষজ চা, কফি, লো ফ্যাট দুধ, ফলের রস, লেবুর রস, ভেজিটেবল স্যুপ পাওয়া যাবে পথে।
ফ্রায়েড রাইস মিলবে না, তার বদলে সাদা ভাত খাওয়া যাবে। ভাজা বাদাম, চিঁড়ে, উত্তাপম, ইডলি সহ ডাল-রুটি, চকোলেট, পায়েস বা ক্ষীর, ওটস, শুকনো ফল, মধু এবং সিদ্ধ করা মিষ্টি খাওয়া চলতে পারে। পিৎজা, বার্গার, ধোসা এবং চাউমিন তো নৈব নৈব চ। গুলাব জামুন প্রচণ্ড প্রিয় হলেও কয়েকদিনের জন্য সেই শোক ভুলে থাকতে হবে। বাবা অমরনাথ দর্শন সেরে ফিরে তবেই মুখে দিতে পারবেন গুলাব জামুন, লাড্ডু, কাজু বরফি অথবা রসগোল্লা। ব্যাগের করে খবরদার লুকিয়েও কুড়কুড়ে কিংবা ওই জাতীয় নোনতা চটপটা প্যাকেট নিয়ে যাবেন না।