নয়াদিল্লি: করোনার মাঝেই দেশেই ছয় রাজ্যে ভোট হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে আট দফার ভোটের কারণে করনার দ্বিতীয় ঢেউ বেড়েছিল বলে দাবি করে তৃণমূল। এরই মাঝে আগামী এক বছরে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু অতিমারির মাঝে ভোটের আয়োজন করা নিয়ে সন্দিহান নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন- মমতাকে বাড়িতে আমন্ত্রণ কোচবিহার গ্রেটারের অনন্ত মহারাজের
এই অবস্থায় সকল রাজনৈতিক দলগুলির কাছে পরামর্শ চাইল নির্বাচন কমিশন। সেই পরামর্শের ভিত্তিতে তৈরি করা হবে নির্বাচনের যাবতীয় রূপরেখা। ভোট গ্রহণের আগে প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণা। সবকিছু নিয়ে পরামর্শ চাওয় হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। যলতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে সেই পরামর্শ কমিশনকে জানিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন- ‘চোর পালানো’র পরেও ‘বুদ্ধি বাড়েনি’ সিপিএম-এর
চলতি সপ্তাহের সোমবারে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। সেখানে খুব স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয় করোনাকালে ভোট নিয়ে অনেক আগেই একগুচ্ছ বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। যা সবিস্তারে দেওয়া আছে কমিশনের ওয়েবসাইটে। সেই নির্দেশিকা মেনে বঙ্গে ভোট করানো হলেও করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। যার জন্য কমিশনকেই কাঠগড়ায় তোলা হয়।
এরপরে পশ্চিমবঙ্গের সাত বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলাতেই শতাধিক পুরসভায় ভোট হওয়ার কথা। সেই সঙ্গে আরও চার রাজ্যে ভোট রয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যে। সেই তালিকায় রয়েছে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। সেই সকল ভোট সুস্থ উপায়ে সম্পন্ন করতেই রাজনৈতিক দলগুলির থেকে পরামর্শ চাইছে কমিশন।