কলকাতা মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩ |
K:T:V Clock
Fourth Pillar: বিপ্লব যাঁর প্রেয়সী, চে গ্যেভারা
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক Edited By:  কৃশানু ঘোষ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩, ১০:৩০:০০ পিএম
  • / ৩১ বার খবরটি পড়া হয়েছে
  • কৃশানু ঘোষ

অ্যালাইদা গ্যেভারা আর তাঁর কন্যা এস্তোফেনিয়া কলকাতায় এসেছেন, তার আগে কেরল, সিপিআইএম-এর মহিলা সংগঠনের সম্মেলন উপলক্ষে। সেখান থেকে কলকাতাতেও এলেন। এর আগেও একবার এসেছেন, এই নিয়ে দুবার। সিপিআইএম মুখপত্র থেকে কলকাতার রাজপথ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলেজ স্ট্রিটে হোর্ডিং বাংলার চেতনা, অ্যালাইদা ও এস্তোফেনিয়া গ্যেভারা। লাস ভিলাসে যখন কিউবার গেরিলারা চে-র নেতৃত্বে বাতিস্তার সৈন্যদের ওপর শেষ আক্রমণ করছে, তখন চের পাশে ছিল অ্যালাইদা মার্চ, এক তরুণী। সেই রণাঙ্গনেই আলাপ সেখানেই প্রেম, চে আর অ্যালাইদা মার্চের। দক্ষিণ আর লাতিন আমেরিকা জুড়েই বাবার নাম ছেলের, মায়ের নাম মেয়ের হওয়াটা খুব নতুন কিছু নয়। অ্যালাইদা আর চে-র চার ছেলেমেয়ের মধ্যে বড় ছিল এই কন্যা অ্যালাইদা গ্যেভারা, পরে ছেলের নাম বাবার নামের সঙ্গে মিলিয়ে এরনেস্তো গ্যেভারা হয়েছিল। সেই এরনেস্তো কোথায়? জানা নেই। ক্যামিলো ছিল আরেক সন্তানের নাম, চে-র বন্ধু গেরিলা যোদ্ধা ক্যামিলো সিয়েনফুগোজের নামে, ক্যামিলো গ্যেভারা কোথায়? জানা নেই। আরেক কন্যা সিলিয়া চে-র মায়ের নামে, সেই সিলিয়া গ্যেভারা খবরও আমরা জানি না। কেবল জানি অ্যালাইদা গ্যেভারার কথা, তিনি সিঙ্গল মাদার। তাঁর দুই কন্যা এস্তোফেনিয়া, ডাক নাম গুয়াপিসিমা বয়স ২০, আর একজনের নাম সিলিয়া বয়স ১৯। 
অ্যালাইদা পেশায় শিশু চিকিৎসক, কেবল তাই নয় পৃথিবীর বহু দেশে বহু বাম সংগঠনের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে। তিনি বিভিন্ন সেমিনার, জনসভায় যান, চে-কন্যা হিসেবেই নয়, তিনিও বামপন্থার এক প্রচারক। তিনি এমন সব সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন যাদের নাম আর কাজ শুনলে সিপিআইএম-এর অস্বস্তি বাড়বে। যেমন ধরুন, সাবভার্সিভ ফেস্টিভ্যাল, সাবভার্সিভ ফোরাম, প্রতিবছর ক্রোয়েশিয়াতে মে মাসে এই উৎসব হয়। যেখানে জমি কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে পৃথিবীজোড়া আন্দোলনে নন্দীগ্রামের ছবিও দেখানো হয়েছে। তো সে কথা থাক প্রথমে আসা যাক চে-র কথায়। চে এসেছিলেন ভারতবর্ষে, চে এসেছিলেন কলকাতায়। না, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে আসেননি, ভারতে এলেও ফিদেল কাস্ত্রোর মতো এদেশের কমিউনিস্ট নেতাদের সঙ্গে দেখা করার কোনও চেষ্টাও ছিল না তাঁর। না কলকাতায়, না দিল্লিতে। তাঁর এদেশে আসাটা কোনও খাপছাড়া বিদেশ ভ্রমণ ছিল না। এর এক প্রেক্ষিত আছে। ১ লা জানুয়ারি, ১৯৫৯, কিউবার রাষ্ট্রপতি বাতিস্তা কোনওরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে আমেরিকার পাঠানো প্লেনে চড়ে পালালেন। তার আগে কিউবা ছিল আমেরিকার ফুর্তির জায়গা, ক্যাসিনো আর সি বিচ জুড়ে ড্রাগ, মদ আর জুয়ার ব্যবসায় নেমেছিল আমেরিকার মাফিয়ারা। ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮, মানে দু’দিন আগে রাষ্ট্রপতি বাতিস্তা আমেরিকার শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, বাতিস্তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সোনায় মোড়া টেলিফোন, দুদিন পরেই সেই ব্যবসায়ীরাও প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়েছিল কিউবা থেকে। ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে হাভানায় ঢুকছিল ফিদেল, চে, ক্যামিলো সিয়েনফুগোজ আর রাউল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে বিপ্লবী গেরিলারা। জলপাই পোশাক, বেরেট টুপি, মুখে সিগার, বড় বড় অবিন্যস্ত চুল আর দাড়ি হয়ে উঠল রোমান্টিক বিপ্লবের প্রতীক। ফ্রান্সের রাস্তায়, কলম্বোর রাস্তায়, বার্মার রাস্তায় ভিভা কিউবা, ভিভা ফিদেল, ভিভা চে। না কলকাতায় নয়। কেন? সোভিয়েতপন্থী কমিউনিস্ট পার্টি বুঝেই উঠতে পারেনি কী হল কিউবাতে। তাদের কথা বাদ দিন, সোভিয়েতও সেদিন ভুরু কুঁচকে তাকিয়েছিল একরত্তি কিউবার দিকে, কারা এরা? চীনের অবস্থাও একইরকম, চীন রাশিয়া মতানৈক্য বাড়ছে, কমিন্টার্ন ভেঙে গেছে সেই কবেই, স্তালিন মারা যাবার পর সোভিয়েতে তখন ক্রুশ্চেভ। স্তালিনের বিরুদ্ধে লাগাতার প্রচার চলছে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। কাজেই কিউবার এই গেরিলা বিপ্লবীরা কারা, কাদের সমর্থনে তাদের বিপ্লব হল, ইত্যাদি বোঝার চেষ্টা করছে চীন। 

আরও পড়ুন: Fourth Pillar: নেতাজি কার?  

আমেরিকা নাকের ডগায় বাম বিপ্লবীদের ক্ষমতা দখলে রেগে আগুন, তার ওপরে ফিদেল, চে একসঙ্গে সাংবাদিকদের সামনে বসে বলে দিয়েছে, ওসব ঋণ, সুদ ইত্যাদি ভুলে যাও। এবার কিউবা স্বাধীন পথে চলবে। আমেরিকার সঙ্গে বিরোধকে কাজে লাগাতে চায় রাশিয়া, কিন্তু মধ্যিখানে এই একগুঁয়ে মাথাগরম মানুষ চে গ্যেভারা,  ওদিকে ফিদেল যদিও বা হজম হয়, স্থানীয় জনগণের আদালত বসিয়ে চে গ্যেভারা বাতিস্তার আমলের অত্যাচারী আমলা, সেনা প্রধানদের মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছেন বললে ভুল হবে, গুলি করে মারছেন। তেমন কিছু জনগণের আদালতের ছবিও ছাপা হয়েছে আমেরিকা ইউরোপের গণতান্ত্রিক সংবাদমাধ্যমে। কাজেই ফিদেল যদি বা হজম হয়, আমেরিকার প্রবল আপত্তি এই চে নিয়ে। কিউবার অর্থমন্ত্রী, কিউবান রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রধান চে গ্যেভারা তখন মাঠে চাষিদের সঙ্গে আখ কাটছেন, এতদিন আখের স্বাদ নোনতা ছিল, এখন মিষ্টি। ফিদেল ভালো করেই জানেন তাঁর বন্ধু চে-কে। মতাদর্শের ক্ষেত্রে একফোঁটাও পিছু হটবে না চে, কৌশল ইত্যাদি মাঠে যুদ্ধের সময়ে, মতাদর্শ নিয়ে কোনও কৌশল নয়। আমেরিকা চিৎকার করছে কিউবা বিপ্লব রফতানি করছে, চে বললেন হ্যাঁ আমরা আইডিয়া অফ রেভেলিউশন রফতানি করছি। দেশ সামলাবেন? না রাশিয়া সামলাবেন? না আমেরিকা? ফিদেল তখন একটু স্বস্তি নিয়ে কাজ করতে চান। প্রাগম্যাটিক কিছু সিদ্ধান্ত, চিনি বিক্রি নিয়ে, বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে, নিতেই হবে। এদিকে তাঁর বন্ধু কমরেড চে এক বিড়ম্বনা। অতএব তিনি চে-কে তিনমাসের জন্য এক বিদেশ ভ্রমণে পাঠালেন, তার আগেই দেশের নতুন কৃষি আইন তৈরি হয়ে গেছে, চে কৃষি মন্ত্রক থেকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দায়িত্ব থেকে সরে এসেছেন, তাহলে তিনি বিদেশ যাবেন কোন পরিচয়ে? কমানদান্তে রেভেলিউশনারি আর্মড ফোর্সেস কিউবা। জলপাই রংয়ের কড়া উর্দি গায়ে চে বের হবেন বিদেশযাত্রায়। কোথায় যাবেন? কারা যবেন সঙ্গে? প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছিল জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করা, অতএব মিশর, ভারতবর্ষ, যুগোশ্লাভিয়া।

নাসের, নেহেরু, টিটো। নেহেরু আর ভারত নিয়ে চে-র পুরনো দুর্বলতা ছিল, স্পেনে ইন্টারন্যাশন্যাল ব্রিগেডে নেহেরুর উপস্থিতিতে মুগ্ধ আর ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া পড়া চে এক সমাজতন্ত্রী নেহেরুকে দেখতে আসবেন, স্বাভাবিক। এই তিন দেশ ছাড়াও পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, জাপানও যাবেন তিনি। নির্জোট সম্মেলনের দেশ ইত্যাদি নিয়ে কিছুটা প্রস্তুতি থাকলেও, তেমন কোনও প্রস্তুতি ছাড়াই এক আখ ব্যবসায়ী, এক দক্ষিণপন্থী হিসেবে চিহ্নিত সাংবাদিক, দেহরক্ষী নিয়ে চে-র তিনমাসের বিদেশ ভ্রমণ ফিদেলের কাছে একটু স্বস্তিদায়ক ছিল বই কী। কিন্তু এই ভ্রমণে বের হবার আগেই চে সেরে ফেললেন তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম বিয়ে পেরুর কমিউনিস্ট পার্টি কর্মী, তখন দেশ থেকে নির্বাসিত হিলদা গাদিয়ার সঙ্গে, মেক্সিকোতে আলাপ। তাঁদের কন্যা হিলদিতা, ১৯৯৫ এ ক্যানসারে মারা গেছেন। ওই ১৯৫৯-এর ২২ মে চে এবং হিলদার নিয়ম মাফিক বিচ্ছেদ। ডিভোর্স হওয়ার পরে ২ জুন ১৯৫৯ চে অ্যালাইদা মার্চকে বিয়ে করেন। তার ১০ দিন পরে তিনি বেরিয়ে পড়লেন বিদেশযাত্রায়। এই তিন মাসের মধ্যে কী কী হল? আগে দেখা যাক কিউবায় কী হল? চে-র তৈরি জনগণের আদালত বন্ধ হল, ফিদেল আমেরিকাকেই কিউবার ৮ মিলিয়ন টন চিনি কেনার অনুরোধ করলেন, আমেরিকা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে জানাই ছিল, সেই মুহূর্তেই ফিদেল কাস্ত্রো সেই চিনি বিক্রির চুক্তিটা রাশিয়ার সঙ্গে সেরে ফেললেন। এমনকী আমেরিকার পত্রিকাতেও লেখা হল, ফিদেল তো এই প্রস্তাব আমেরিকাকেই দিয়েছিল, কাজেই তাকে দোষ দেওয়া যাবে না, কিন্তু আন্তর্জাতিক মহলে কিউবা সোভিয়েত পন্থী হিসেবে চিহ্নিত হতে থাকল। এবং চে-র অধীনে থাকা লা কাবানা সেনাবাহিনীকে কেবল ব্যারাকে ফিরিয়ে দেওয়া হল না, লা কাবানা রেজিমেন্টকে ভেঙে দেওয়া হল। চে-র জায়গায় ফিদেল কাস্ত্রো বসালেন ফিলিবার্তো অলিভেরা কে। এরপর চে ফিরেছেন, কিন্তু ততদিনে তাঁর অন্য পরিকল্পনা কাজ করতে শুরু করেছে, প্রথমে কঙ্গো, পরে বলিভিয়াতে বিপ্লবের পরিকল্পনা, সেই বলিভিয়াতেই গেরিলা যুদ্ধেই তাঁর মৃত্যু। সে কথা থাক, চলুন আমরা তাঁর বিদেশযাত্রার দিকে নজর দিই। তিনি গেলেন মিশরে, নাসেরকে তাঁর মোটের ওপর পছন্দ হল না, কিন্তু কায়রোর রাস্তায় চে-কে দেখতে হুড়োহুড়ি। একই ভিড় পাকিস্তানের করাচিতে।

এরপর তিনি এলেন তাঁর স্বপ্নের নায়ক জওহরলাল নেহেরুর সঙ্গে দেখা করতে, যাঁর বই তিনি নির্বাসিত অবস্থায় মেক্সিকোতে পড়েছিলেন। বিরাট ব্যাঙ্কোয়েট রুমে প্রথম ডিনারে নেহেরু ছিলেন, ছিলেন ইন্দিরা, তখন শিশু সঞ্জয় গান্ধী, রাজীবও। চে প্রাচুর্যের এই ছড়াছড়ি দেখে হতভম্ব, এবং তাঁর স্বপ্নের নেহেরুকে দেখে স্বপ্নভঙ্গের মুখোমুখি। তাঁর আর নেহেরুর মধ্যে কিছু কথাবার্তা পরে প্রকাশ্যেও এসেছে। তিনি নেহেরুকে প্রশ্ন করছেন, মিঃ প্রাইম মিনিস্টার আপনার কমিউনিস্ট চায়না নিয়ে মতামত কী? নেহেরু শুনতেই পেলেন না, বললেন, মিঃ কমানদান্তে আপনি কি এই অপূর্ব আপেলগুলো চেখে দেখেছেন? পরক্ষণেই আবার চে প্রশ্ন করলেন, মিঃ প্রাইম মিনিস্টার আপনি কি মাও সে তুং পড়েছেন? নেহেরু আবার শুনতেই পেলেন না, তিনি বললেন, বাহ, আপেলগুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। পরে চে নিজেই লিখছেন, নেহেরু তাঁদের সঙ্গে পরিবারের এক বয়জ্যেষ্ঠর মতোই ব্যবহার করেছিলেন, আর কিউবার মানুষের লড়াইয়ের কথা জিজ্ঞেস করেছিলেন। চে লিখেছেন, ভারতবর্ষ তার নানান বৈচিত্র নিয়ে দুটো বড় সমস্যার মুখোমুখি। প্রথমটা হল ভূমি সংস্কার, দ্বিতীয়টা হল ধর্ম আর সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো। হ্যাঁ, ১৯৫৯-এ এই কথা চে গ্যেভারা বুঝেছিলেন, যখন সবে কাশ্মীরে এদেশের প্রথম ভূমি সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে। যাই হোক দিল্লি আর পাশাপাশি কিছু কৃষক, গ্রাম, চাষবাস দেখে তিনি একদিনের জন্য কলকাতায় এলেন। না, কমিউনিস্ট পার্টির কারও সঙ্গেই দেখা করেননি, আর আগেই বলেছি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি তখনও কিউবান রেভিলিউশনটা কী তা-ই বুঝে উঠতে পারেনি। তিনি কলকাতায় এলেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউটে ফার্স্ট জেনারেশন কম্পিউটার দেখতে। তখন আইএসআই-তে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার কাজ ওই কমপিউটারে চলছে। প্রশান্তচন্দ্র মহলানাবিশ নিজে চে গ্যেভারাকে ওই কম্পিউটার, পরিসংখ্যানের কাজকর্ম দেখালেন। তিনি কাছাকাছি এক জুটমিলেও গিয়েছিলেন। ছিলেন সম্ভবত সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের কোনও হোটেলে, কারণ এই সফর জুড়ে তিনি প্রচুর ছবি তুলেছিলেন, তার কিছু ছবি এই কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপর। তখনও বাঙালি ধুতি আর বুশ শার্টেই অফিসে যেত। এই কলকাতা থেকেই চে চলে গিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কা। দেশে থাকাকালীন দিল্লি আকাশবাণীতে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন, কিন্তু না, এদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কোনও উল্লেখ সেখানেও ছিল না। সেদিন দিল্লিতে, কলকাতায় কোনও সম্বর্ধনা ছিল না, সেদিন চেতনায় চে ছিল না। আজ আছে তাই বা কম কী? আজও তো আসলে সেই মানুষটাকেই সম্বর্ধনা দেওয়া হচ্ছে যে মানুষটি তীব্র হাঁপানির রোগ নিয়েই দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম পর্বতচূড়া মাউন্ট পোপাকাটেপেটল অভিযানে গিয়েছিলেন, সেই মানুষটি যিনি সমস্ত পদ আর সুবিধে ছেড়ে বিপ্লবের পরে আরেক দেশে বিপ্লবের সাহায্যে গিয়ে সরাসরি যুদ্ধে মারা গেলেন। চে গ্যেভারা সেই মানুষ, যিনি মুখের ওপর বলতে পেরেছিলেন, আলোচনা আর প্রস্তুতির কথা বলে বসে থাকা নয়, The revolution is not an apple that falls when it is ripe. You have to make it fall. বিপ্লব আপেল নয় যে পেকে গেলে টুপ করে খসে পড়বে, তাকে পাড়তে হবে। চেতনায় সেই চে আসুক, যাঁর প্রেয়সী ছিল বিপ্লব। 

 

আর্কাইভ

এই মুহূর্তে

Prasenjit Daughter Prerana: ‘মেয়েকে জড়িয়ে ধরতে চাই, অপেক্ষায় আছি’
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Air Marshal Amar Preet: নতুন চিফ অফ এয়ার স্টাফ হচ্ছেন এয়ার মার্শাল অমরপ্রীত সিং
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Pakisthan Blas : পাকিস্তানের মসজিদ হামলার দায় স্বীকার করল জঙ্গি সংগঠন
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
India vs West Indies: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সহজ জয় দীপ্তি শর্মাদের
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Justice Abhijit Ganguly removes CBI Officer: তদন্তের কোনও কাজে তিনি যুক্ত থাকতে পারবেন না, সিবিআই অফিসারকে তদন্ত থেকে বাদ বিচারপতির
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Marichjhapi Massacre: ৪৪ বছর পার, আজও দগদগে মরিচঝাঁপির অভিশপ্ত সেই দিন
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
‘Putul Nacher Itikotha’ Jaya Ahsan Shooting Restart: সংশয় কাটিয়ে আবার শুটিং শুরু করবে ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Docu Series On Yash Chopra Romance : ফিরছে যশ চোপড়া রোম্যান্স
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Kanthi Case: কাঁথির নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের আবেদনকারীকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Budget session of Parliament 2023: দেশে এখন স্থায়িত্ব আছে, দৃঢ় সিদ্ধান্তে অবিচল ভারত: দ্রৌপদী
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Vistara Airlines – Semi Naked Woman : ফের মাঝ আকাশে অসভ্যতা, অর্ধনগ্ন হয়ে বিমানে অশ্লীলতা মহিলার
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Mamata Banerjee Live: কেন্দ্রীয় সরকার খুব হিংসুটে, মাছের তেলে মাছ ভাজার অভিযোগ মমতার
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Bankura TMC speech controversy: বাঁকুড়ায় বিজেপি সাংসদের প্যান্ট খুলে নেওয়ার হুঁশিয়ারি তৃণমূলের ব্লক সভাপতির
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
Vaani Kapoor Ott Debut : বাণীর ক্রাইম থ্রিলার
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
TMC Inner Clash: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, এবার বাঘমণ্ডির বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দলেরই একাংশের
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
© R.P. Techvision India Pvt Ltd, All rights reserved.
Developed By KolkataTV Team